Showing posts with label মজার তথ্য. Show all posts
Showing posts with label মজার তথ্য. Show all posts

Sunday, April 29, 2018

জীবনের মোড় বদলানো, সিদ্ধান্তহীনতার গল্প নোবডি হয়ে থাকার গল্প।

এখানে যারা আছেন, যারা এখনো ক্যারিয়ার শুরুই করেননি, তারা কি সত্যিই পিছিয়ে আছেন? ‘পিছিয়ে থাকা’ কাকে বলে? আমার শুরু যেভাবে।  জীবনের মোড় বদলানো। সিদ্ধান্তহীনতার গল্প। Never it’s too late to realize it’s already getting late.



আমার কোনো Aim in Life ছিলো না, শুধু এক্সামের খাতায় ছাড়া। কেউ একজন আমাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, life এবং career নিয়ে আপনার আগামী ১০ বছরের plan কী? আমি উত্তর দিয়েছিলাম, আমি আমার জীবনে ১০ মিনিটের planও কখনো করতে পারিনি। Still I’m happy. No regrets! এক জীবনে মানুষ কতোটুকুই বা পায়? আমি প্রতি মুহূর্তের দুনিয়ায় বেঁচে থাকা মানুষ। এতো ক্যারিয়ারিস্ট হয়ে বেঁচে কী লাভ?


ক্যারিয়ার কী? ভালো ক্যারিয়ারে কী কী থাকে? আমি মনে করি, ৩টা জিনিস থাকে।
খুব ভালো কিছু করতে যে খুব বেশি সময় নিয়ে করতে হয়, তা কিন্তু নয়। আমার ধারণা, সুন্দর কিছু ক'রতে পরিশ্রম কিংবা বুদ্ধিমত্তার চাইতেও আবেগটাই বেশি দরকার। কম সময়ে অনেক কিছু ক'রতে জানাটা মস্তো বড়ো একটা আর্ট। …… কেউ কথা রাখেনি। You fill up my senses. দস্তয়ভস্কির গল্প।

ফিরে দেখা। নোবডি হয়ে থাকার গল্প। সবচেয়ে বাজে রেজাল্ট করা ছেলেটার গল্প; যার একটা সময়ে অনার্স কমপ্লিট করারই কথা ছিলো না, যাকে নিয়ে কেউ কখনো স্বপ্ন দেখেনি। কারোর কাছ থেকে পাত্তা না পাওয়াটা ভয়াবহ কষ্টের একটা ব্যাপার। অপমানের দিনগুলো, কান্নার রাতগুলো। ‘কিছু করা’ বলতে কী বোঝায়? বিষের পেয়ালার হার ও অতঃপর। স্রেফ বেঁচে থাকলেও অনেককিছু হয়৷ সাঁতারু ও জলকন্যা পড়েছেন?

Your passion pays!! Books, movies, music & of course Facebook!! No matter, whatever it is!! Basically, you’re what you love!!
অন্য কারোর জীবনে না বাঁচা, জীবনের সাথে কম্প্রোমাইজ না করা একজন সুখী অসফল অ্যাক্সিডেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারের গল্প, একজন হতাশাগ্রস্ত উদ্যোক্তার গল্প। Happy to be derailed! Thank you God, you didn’t listen to my prayers!
একটা কথা খুব সত্য৷ এ্যাকাডেমিক্যালি কেউ ভালো স্টুডেন্ট হওয়া মানেই কিন্তু তার ক্যারিয়ার ভালো হবে, এমন নাও হ’তে পারে৷ শেষ হাসিটা হাসার চেষ্টা করুন৷ মাঝের কিছুটা সময় না হয় কাটুক কান্নায়, অবহেলায়, তাচ্ছিল্যে৷
ক্যারিয়ার শুরু করার আগে নিজেকে জিজ্ঞেস ক’রে নিন, কী আপনার ভালো লাগে৷ অন্যেরা এর উত্তর দিতে পারবে না৷ ওরা বড়োজোর জানে, কী আপনার ভালো লাগা উচিত৷ অন্য দশ জনের মতো ক’রে ভাববার মস্তো বড়ো অসুবিধে হ’চ্ছে এই, আপনি আসলে যতোটুকু করার ক্ষমতা রাখেন, সেটা একটা বাঁধাধরা ছকে প’ড়ে যায় এবং আপনার অ্যাচিভমেন্ট এমন কিছু হয় না, যেটাকে আলাদা ক’রে বলা যায় কিংবা দেখা যায়৷ আপনার জীবনটাকে আপনি গড়পড়তায় ফেলবেন কিনা, It’s your choice.
কোনো কাজ করার সবচেয়ে কঠিন ধাপ ২টিঃআপনি আসলে কী করতে চান, কীভাবে করতে চান, কেনো করতে চান সেটা ঠিক করা।কাজটা সত্যি সত্যি শুরু করা। কোনো কাজ শুরু করার সবচেয়ে সহজ টেকনিক হল, কাজটা সত্যিই শুরু করে দেয়া।

সাফল্যের জন্যে আত্মবিশ্বাস জরুরী, নাকি আত্মবিশ্বাসের জন্যে সাফল্য জরুরী? 
বিসিএস পরীক্ষার ডিফিকাল্টি লেভেল আমার কাছে কিছুটা overrated বলেই মনে হয়েছে৷ এগুলো কম্পিটিটিভ এক্জাম, এটা যতটা সত্য, রিয়েল কম্পিটিশনে আসার মতো ক্যান্ডিডেট খুব বেশি সাধারণতঃ থাকেনা, এটা আরো বেশি সত্য৷ বেশিরভাগ মানুষই এই ২টা এক্সাম নিয়ে ভয় দেখাতেই বেশি পছন্দ করেন। যা জানেন, তা বলেন; যা জানেন না, তাও বলেন। ২টা ফ্যাক্ট শেয়ার করি।

এই এক্সামগুলোতে ৫০% ক্যান্ডিডেট যায় জাস্ট ঘুরতে কোনো কারণ ছাড়াই, অনেকটা গেট-টুগেদার করতে। (মজার ব্যাপার হলো, এদের কেউকেউ সফলও হয়ে যায়! veni, vidi, vici টাইপের আরকি!)
রিয়েল কম্পিটিটিশনে আসার মতো ক্যান্ডিডেট থাকে মাত্র ৭% এর মতো।..

মাই এক্সপেরিয়েন্স উইথ বিসিএস প্রিলি + রিটেন
১০ম থেকে ৩৪তম বিসিএস, পিএসসি’র নন-ক্যাডার প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রশ্নগুলো (সম্ভব হলে অন্ততঃ ২৫০-৩০০ সেট) বুঝে solve করে ফেলুন। রিভিশন দেবেন অন্তত ২-৩ বার। Read the mind of the question setter, not the mind of the guidebook writer. ৪ ঘণ্টা না বুঝে study করার চাইতে ১ ঘণ্টা questions study করা ভালো। তাহলে ৪ ঘণ্টার পড়া ২ ঘণ্টায় পড়া সম্ভব। Apply the POE. বেশি বেশি প্রশ্নের প্যাটার্ন study করলে, কীভাবে অপ্রয়োজনীয় টপিক বাদ দিয়ে পড়া যায়, সেটা শিখতে পারবেন। এটা প্রস্তুতি শুরু করার প্রাথমিক ধাপ। এর জন্যে যথেষ্ট সময় দিন। অন্যরা যা যা পড়ছে, আমাকেও তা-ই তা-ই পড়তে হবে। এই ধারণা ঝেড়ে ফেলুন। 

Invent your own style.
বেশিরভাগ স্টুডেন্টই প্রথমে রেফারেন্স বই পড়ে, পরে প্রশ্ন সলভ করা শুরু করে। এখানে ২টা সমস্যা আছে।এক। বেশি বেশি প্রশ্ন সলভ করার সময় পাওয়া যায় না। যত বেশি প্রশ্ন সলভ করবেন, ততই লাভ।দুই। রেফারেন্স বইগুলোর বেশিরভাগ অংশই বিসিএস পরীক্ষার জন্যে কাজে লাগে না, অথচ পুরো বই পড়তে গিয়ে সময় নষ্ট হয় এবং বিসিএস নিয়ে অহেতুক ভীতি তৈরি হয়। তাছাড়া অতকিছু মনে রাখার দরকারও নেই।তাই, উল্টো পথে হাঁটুন। আমিও তা-ই করেছিলাম।

আজাইরা ফালতু জিনিসপত্র পড়া বাদ দিন৷ বিসিএস ক্যাডার হওয়ার জন্যে আপনি কী কী পড়বেন, সেটা ঠিক করার চাইতে অনেক বেশি জরুরী আপনি কী কী পড়বেন না, সেটা বুঝতে পারা৷ রেফারেন্স বই পড়ুন আর না-ই পড়ুন, বেশি বেশি প্রশ্ন সলভ্ করা ফরজ৷ যে জানে, সে সফল নাও হ'তে পারে; কিন্তু যে সফল, সে নিশ্চয়ই জানে৷ (না জানলেও জানে) অসফল পণ্ডিত অপেক্ষা সফল গর্দভ উত্তম৷ যাঁরা বিসিএস নিয়ে থাকেন, তাঁরা দুই টাইপের হ’য়ে ওঠেন৷ এক। বিসিএস বিশেষজ্ঞ৷ দুই। বিসিএস ক্যাডার৷ ...... ক্যাডার হোন৷

একটা বুদ্ধি দিই৷ বিসিএস পরীক্ষার জন্য যেকোনো বিষয়ের রেফারেন্স পড়ার একটা ভালো টেকনিক হচ্ছে, জ্ঞান অর্জনের জন্য না প'ড়ে, মার্কস্ অর্জনের জন্য পড়া৷ এটা করার জন্য আগে বিগত বছরগুলোর প্রশ্নগুলো প'ড়ে প'ড়ে কোন টাইপের প্রশ্ন আসে না, সেই আইডিয়াটা নিন৷ আরো ভালো হয়, প্রিলি আর রিটেন'এর প্রশ্নগুলো ভালোভাবে দেখে, এরপর রেফারেন্স বই 'বাদ দিয়ে বাদ দিয়ে' পড়ুন৷ যেমন, বাংলা সাহিত্যের জন্য যদি কেউ মাহবুবুল আলমের বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস (কথার কথা) প'ড়তে চান, আগেই প্রিলিতে সাহিত্যের প্রশ্ন + রিটেনে সাহিত্যের সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন কী কী টাইপের আসে মাথায় ম্যাপিং ক'রে ফেলুন৷ এরপর পড়ুন৷ কম্পিটিটিভ পরীক্ষায় ভালো করার বেস্ট ওয়ে, আগে রেফারেন্স বই প'ড়ে তারপর প্রশ্ন সলভ্ করা নয়; বরং প্রশ্ন সলভ্ ক'রতে ক'রতে রেফারেন্স বই পড়া৷ সবকিছু পড়ার সহজাত লোভ সামলান। একটি অপ্রয়োজনীয় topic একবার পড়ার চেয়ে প্রয়োজনীয় topic গুলো বার বার পড়ুন৷
প্রিলির জন্য কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স, কারেন্ট ওয়ার্ল্ড, আজকের বিশ্ব, অর্থনৈতিক সমীক্ষা টাইপের বইপত্র পড়া বাদ দিন৷ একেবারেই সাম্প্রতিক বিষয় থেকে প্রিলিতে প্রশ্ন আসে বড়জোর ২-৩টা, যেগুলো শুধু ওই বইগুলোতেই পাওয়া যায়৷ এরমধ্যে অন্তত ১টা পেপারটেপার প'ড়ে আনসার করা যায়৷ বাকি ২টাকে মাফ ক'রে দিলে কী হয়?! এই ২-১ মার্কসের এ্যাতো পেইন কোন দুঃখে পাব্লিক নেয়, আমার মাথায় আসে না৷ আসলে, ওই যন্ত্রণাদায়ক বইগুলো প'ড়লে নিজের কাছে কেমন জানি প'ড়ছি প'ড়ছি মনে হয়৷ এটা অতি উচ্চমার্গীয় ফাঁকিবাজির পর্যায়ে পড়ে৷ একটা ফ্যাক্ট শেয়ার করি৷ কিছু কঠিন প্রশ্ন থাকে যেগুলো বার বার পড়লেও মনে থাকে না৷ সেগুলো মনে রাখার চেষ্টা বাদ দিন৷ কারণ এই ধরণের একটি প্রশ্ন আরো কয়েকটি সহজ প্রশ্নকে মাথা থেকে বের করে দেয়৷ প্রিলিমিনারি হাইয়েস্ট মার্কস্ পাওয়ার পরীক্ষা নয়, স্রেফ পাস করার পরীক্ষা৷


বিসিএস পরীক্ষায় ভালো করা মূলতঃ চারটি বিষয়ের উপর অনেকংশে নির্ভর করে---ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান ও বাংলা৷ এই চারটি বিষয় বেশি জোর দিয়ে পড়ুন৷ শুধু সাধারণ জ্ঞানে সুপণ্ডিত তোতাপাখিসদৃশ ব্যক্তিবর্গ বিসিএস পরীক্ষায় সাধারণত ফেল করে অথবা অতি সাধারণ মানের রেজাল্ট করে৷ সাধারণ জ্ঞানে বেশি পণ্ডিত হয়ে লাভ নাই, কারণ ওই segment-টাতে সাধারণত average marks আসে, তাই অন্যান্য ক্যান্ডিডেটের তুলনায় আপনি খুব বেশি marks পেয়ে কোনো competitive advantage পাবেন না। প্রিপারেশন নিচ্ছি নিচ্ছি---নিজেকে এবং অন্য সবাইকে এটা বোঝানোর চাইতে সত্যি সত্যি প্রিপারেশন নেয়া ভালো। প্রিপারেশন প্রিপারেশন ভাব, প্রিপারেশনের অভাব। কম্পিটিটিভ এক্সামে এটা হয়। মাথায় রাখুন, Only your results are rewarded, not your efforts. অনেক পরিশ্রম করে ফেল করার চাইতে, বুঝেশুনে পরিশ্রম করে পাস করা ভালো।

বিসিএস পরীক্ষা বার বার দেয়া যায়, এটা সত্যি। কিন্তু তার চেয়ে বড় সত্যি, এটা একবারে পাস না করার পানিশমেন্ট হল, এই বিরক্তিকর ক্লান্তিকর পড়াগুলো আরেকবার পড়তে হবে। আমার বেলায় এই ভয়টা মোটিভেশন হিসেবে কাজ করেছে। এসএসসি এইচএসসি পরীক্ষাও তো ৪ বার দেয়া যায়। ওইসময়ে কেউ যদি আপনাকে বলতো, ১ম বার এক্সপেরিএন্স হোক, পরেরবার ভালো করে দিয়ো। এটা শুনলে কি রাগ হতো না?
যে প্রশ্নগুলো একটু কঠিন মনে হয়, সেগুলো একাধিকবার পড়ুন৷ একটা ফ্যাক্ট শেয়ার করি৷ কিছু কঠিন প্রশ্ন থাকে যেগুলো বার বার পড়লেও মনে থাকে না৷ সেগুলো মনে রাখার চেষ্টা বাদ দিন৷ কারণ এই ধরণের একটি প্রশ্ন আরো কয়েকটি সহজ প্রশ্নকে মাথা থেকে বের করে দেয়৷

বিসিএস পরীক্ষায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, বাংলাদেশ বিষয়াবলি, আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি---এই বিষয়গুলোতে প্রয়োজনীয় চিহ্নিত চিত্র ও ম্যাপ আঁকুন৷ যথাস্থানে বিভিন্ন ডাটা, টেবিল, চার্ট, রেফারেন্স দিন৷
কোন কোন সেগমেন্ট-এ ক্যান্ডিডেট’রা সাধারণতঃ কম মার্কস্ পায় কিন্তু বেশি মার্কস্ তোলা সম্ভব, সেগুলো নির্ধারণ করুন এবং নিজেকে ওই সেগমেন্ট’গুলোতে ভালোভাবে প্রস্তুত করে কম্পিটিশনে আসার চেষ্টা করুন৷ সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন, টীকা, শর্ট নোটস্, সারাংশ, সারমর্ম, ভাবসম্প্রসারণ, অনুবাদ, ব্যাকরণ ইত্যাদি ভালোভাবে পড়ুন৷
দাগিয়ে দাগিয়ে রিটেনের গাইড বই পড়ুন৷ সম্ভব হলে, কমপক্ষে ৩-৪ সেট৷ তবে খেয়াল রাখবেন গাইডে অনেক ভুল থাকে৷ এটা স্বাভাবিক৷ তাই পড়ার সময় সংশোধন করে নিতে হবে৷
নোট করে পড়ার বিশেষ কোনো প্রয়োজন নেই৷ এতটা সময় পাবেন না৷ বরং কোন প্রশ্নটা কোন সোর্স থেকে পড়ছেন, সেটা লিখে রাখুন৷ রিভিশন দেয়ার সময় কাজে লাগবে৷ বাংলাদেশের সংবিধানের ব্যাখ্যা, বিভিন্ন সংস্থার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, কিছু আন্তর্জাতিক পত্রিকা ইত্যাদি সম্পর্কে নিয়মিত খোঁজ-খবর রাখুন৷ তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহে রাখুন৷ প্রয়োজনমত পরীক্ষার খাতায় রেফারেন্স উল্লেখ করে উপস্থাপন করুন৷

বিসিএস’এর জন্য নিয়মিত পেপার পড়ুন৷ সম্ভব হলে অন্তত ৫-৬ টা৷ অনলাইনে পড়তে পারেন৷ এই সময়টাতে পুরো পেপার না পড়ে শুধু যে অংশগুলো পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয়, সেগুলোই পড়ুন৷ খুব দ্রুত চোখ বুলিয়ে যা যা বিসিএস পরীক্ষার জন্যে দরকার, প্রয়োজনে সেগুলো ওয়ার্ড ফাইলে সেভ করে রাখুন। কী কী দরকার, সেটা কীভাবে বুঝবেন?
বিভিন্ন রেফারেন্স, টেক্সট ও প্রামাণ্য বই অবশ্যই পড়তে হবে৷ বিসিএস পরীক্ষায় অনেক প্রশ্নই কমন পড়েনা৷ এসব বই পড়া থাকলে উত্তর করাটা সহজ হয়৷ প্রশ্নের উত্তর দেয়ার সময় বিভিন্ন লেখকের রচনা, পত্রিকার কলাম ও সম্পাদকীয়, বিভিন্ন সংস্থার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, সংবিধানের সংশ্লিষ্ট ধারা, বিভিন্ন রেফারেন্স থেকে উদ্ধৃতি দিলে মার্কস বাড়বে৷ এই অংশগুলো লিখতে নীল কালি ব্যবহার ক’রলে সহজে পরীক্ষকের চোখে পড়বে৷ জানি, অত কোটেশন তো মনে থাকে না। তাহলে কীভাবে কাজটা করবেন? আমি যে টেকনিকগুলো ফলো করেছিলাম, সেগুলো বলছি। ভালো কথা, সংবিধান মুখস্থ করার কোনো দরকারই নাই।

লেখা সুন্দর হলে ভালো, না হলেও সমস্যা নেই৷ পরীক্ষায় অনেক বেশি দ্রুত লিখতে হয়৷ তাই প্রতি ৩-৫ মিনিটে ১ পৃষ্ঠা লেখার প্র্যাকটিস্ করুন৷ খেয়াল রাখবেন, যাতে লেখা পড়া যায়৷ সুন্দর উপস্থাপনা মার্কস বাড়ায়৷ বিসিএস লিখিত পরীক্ষায় লিখতে খুব বেশি কষ্ট হয়। আমার মাঝে মাঝে মনে হতো, আঙুলের জয়েন্টগুলো মনে হয় এখুনি খুলে পড়ে যাবে। ভাবতাম, I’ve to really perform when I’m performing! আমি তো স্রেফ আমার বাবা-মা আর টেন্ডুলকারের কথা ভেবে ভেবেই রিটেন পার করে দিলাম। একটা গল্প শেয়ার করি। ১৬ বছরের বালকের ‘Main Khelega’ অ্যাটিচিউডের গল্প৷ হারিয়ে না যাওয়ার গল্প৷ আমার লাইফে শেখা সেরা অ্যাটিচিউড৷ আমার মতে, জীবনে বড় হতে হলে habitual ‘selfish’ weakness to greatness থাকাটা জরুরি। যারা নিজ নিজ ক্ষেত্রে সফল তাদের গুণগুলোকে replicate করার চেষ্টা করুন। যে লক্ষ্যেই পৌঁছাতে চান না কেনো, সেই লক্ষ্যের প্রতি প্রচণ্ড শ্রদ্ধাবোধ রাখুন। নাহলে প্রিপারেশনে ঠিকমতো আন্তরিকতা আসে না।


কোনভাবেই কোনো প্রশ্ন ছেড়ে আসবেন না৷ উত্তর জানা না থাকলে ধারণা থেকে অন্তত কিছু না কিছু লিখে আসুন৷ আপনি প্রশ্ন ছেড়ে আসছেন, এটা কোন সমস্যা না৷ সমস্যা হল, কেউ না কেউ সেটা উত্তর ক’রছে৷ নিজের সাজেশনস্ নিজেই তৈরী করুন৷ কারো সাজেশনস্ ফলো করবেন না৷ এই প্রশ্নটা আসবেই আসবে --- এ জাতীয় কোচিং সেন্টারসুলভ মিথ্যে আশ্বাসে কান দেবেন না৷ আমি অন্তত ৪ বার সাজেশনস রেডি করেছিলাম। আর এটা মাথায় রাখুন, (৪০-৫০)% এর বেশি প্রশ্ন কমন পাবেন না। এইটুকু পেলেও অনেক!
মাঝে মাঝে বিভিন্ন topic নিয়ে ননস্টপ লেখার প্র্যাক্টিস করুন৷ বিভিন্ন বিষয়ে পড়ার অভ্যাস বাড়ান৷ এতে আপনার লেখা মানসম্মত হবে৷ কোনো উত্তরই মুখস্থ করার দরকার নেই৷ বরং বারবার পড়ুন, বিভিন্ন সোর্স থেকে৷ ধারণা থেকে লেখার অভ্যাস গ’ড়ে তুলুন৷

বিসিএস পরীক্ষায় কোন ভাষায় উত্তর লিখবো? ইংরেজিতে? নাকি, বাংলায়? এ প্রশ্ন অনেকেরই৷ আমি বাংলায় লিখেছি, combined merit list-এ প্রথম হ’য়েছি৷ এ ভাষায় ‘আসি’ বলে স্বচ্ছন্দে চলে যাওয়া যায় … কী আশ্চর্য রহস্য! তাই না? তবে, আপনি ইংরেজিতেও লিখতে পারেন৷ এক্ষেত্রে সাবলীলতা ও প্রাঞ্জলতাই মুখ্য৷
অনেকেই বলবে, আমার তো অমুক অমুক প্রশ্ন পড়া শেষ! ব্যাপারটাকে সহজভাবে নিন৷ আপনার আগে কেউ কাজ শেষ করলেই যে শেষ হাসিটা উনিই হাসবেন---এমন তো কোন কথা নেই৷ আমি বিসিএস পরীক্ষার জন্যে প্রস্তুতি শুরু করতে গিয়ে দেখলাম, অনেকের অনেক কিছু পড়া শেষ। 3 Idiots তো দেখেছেন। বন্ধুর খারাপ রেজাল্টে যতোটা মন খারাপ হয়, বন্ধুর ভালো রেজাল্টে তার চেয়ে বেশি মেজাজ খারাপ হয়। যখন দেখলাম, আমি অন্যদের তুলনায় বলতে গেলে কিছুই পারি না, তখন আমি ২টা কাজ করলাম। এক। বোঝার চেষ্টা করলাম, ওরা যা পারে, সেটা পারাটা আদৌ দরকার কিনা? দুই। ওদের সাথে নিজেকে কম্পেয়ার করা বন্ধ করে গতকালকের আমি’র সাথে আজকের আমি’কে কম্পেয়ার করা শুরু করলাম।

মাঝে মাঝে পড়তে ইচ্ছে করবে না, আমারও করত না৷ সারাক্ষণ পড়তে ইচ্ছে করাটা মানসিক সুস্থতার লক্ষণ না৷ Why so serious? Job for Life, not Life for Job. তাই, ব্রেক নিন, পড়াকে ছুটি দিন৷ মাঝেমধ্যেই৷ দু’দিন পড়া হ’লো না বলে মন খারাপ করে আরো দু’দিন নষ্ট করার তো কোন মানে হয়না৷ অনুশোচনা করার সময় কোথায়?গ্রুপ স্টাডি করা কতোটুকু দরকার? এটা আপনার অভ্যেসের উপর নির্ভর করে। আমার নিজের এই অভ্যেস ছিলো না। আমি গ্রুপ স্টাডি করতাম না ২টা কারণে। এক। যখন দেখতাম, সবাই অনেককিছু পারে, যেগুলোর কিছুই আমি পারি না, তখন মন খারাপ হতো। আমি পারি না, এটা ভাবতে ভালো লাগে না। The Pursuit of Happyness এর ডায়লগটা মনে আছে তো? দুই। সবার সাথে পড়লে বেশি বেশি গল্প করতে ইচ্ছে করতো, আর মনে হতো, ওরা যেটা করছে সেটা ঠিক, আমার নিজেরটা ভুল। অন্ধ অনুকরণ করতে ভালো লাগে না।

লিখেছেন_
বিসিএস পরীক্ষা'র সাতসতেরো
সুশান্ত পাল, প্রথম স্থান অধিকারী, 30 তম বিসিএস 
বর্তমানে কাস্টমসের সহকারী কমিশনার

Friday, January 13, 2017

ইচ্ছাশক্তি নয়,স্বপ্নই সাফল্য সৃষ্টি করে,ইচ্ছাশক্তি হচ্ছে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের হাতিয়ার।




ইচ্ছাশক্তি নয়, স্বপ্নই সাফল্য সৃষ্টি করে। ইচ্ছাশক্তি হচ্ছে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের হাতিয়ার। ইচ্ছাশক্তি হচ্ছে কোনো সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্টভাবে চিন্তা ও কাজকে নিয়ন্ত্রিত করার ক্ষমতা। কিন্তু স্বপ্ন ছাড়া ইচ্ছাশক্তি বেশিদূর এগোতে পারে না। আসলে অন্তর্চেতনাই সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য দিয়ে ইচ্ছাশক্তিকে জোরদার করে। তাই সফল হতে হলে সবচেয়ে আগে প্রয়োজন স্তৈরি। অর্থাৎ যে লক্ষ্য আপনি অর্জন করতে চান, সে সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট ধারণা এবং বিশ্বাস সৃষ্টি করতে হবে। লক্ষ্যের সঙ্গে নিজেকে পুরোপুরি একাত্ম করতে হবে। আর লক্ষ্যকে সব সময় প্রজ্বলিত রাখতে হবে। আমাদের সমগ্র কল্পনা, চিন্তা ও অনুভূতিকে এ লক্ষ্যের সঙ্গে একাত্ম করতে হবে। অর্থাৎ মানসিকভাবে নিজেকে সাফল্যের সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে হবে।


সফল হওয়ার জন্য স্বপ্ন তৈরি করার পরই প্রয়োজন নিজেকে প্রস্তুত করা। অর্থাৎ সাফল্য গ্রহণ করার দক্ষতা অর্জনে নিজেকে পুরোপুরি সাফল্যের হাতিয়ারে রূপান্তরিত করতে প্রস্তুত হতে হবে। যা পেতে চান নিজেকে তা পাওয়ার যোগ্য করার জন্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে। প্রয়োজনীয় কাজ ও মনোযোগ প্রদানে নিজের ইচ্ছাশক্তিকে প্রয়োগ করতে হবে। স্বপ্ন যত দূরবর্তী বা যত কঠিন হোক না কেন আপনি যদি আপনার মনকে লক্ষ্যের জন্য প্রস্তুত করতে পারেন এবং সফল প্রয়াসকে সেই লক্ষ্যে নিবেদিত করতে পারেন, আপনি সফল হবেনই। সাফল্যের প্রাকৃতিক নিয়মেই আপনি ক্রমান্বয়ে বিকশিত হবেন। সাফল্যের ফুল প্রাকৃতিক নিয়মেই প্রস্ফুটিত হয়।" 


Wednesday, June 29, 2016

সুশান্ত পালের ( সম্মিলিত জাতীয় মেধা তালিকায় ১ম, ৩০তম বিসিএস) এই লেখাটি আপনার জীবনকে বদলে দেবে।।

২৭ বছর বয়সে যখন হন্যে হয়ে ব্যাংকে চাকরি খুঁজছেন,তখন আপনারই বয়েসি কেউ একজন সেই ব্যাংকেরই ম্যানেজার হয়ে বসে আছেন।আপনার ক্যারিয়ার যখন শুরুই হয়নি,তখন কেউ কেউ নিজের টাকায় কেনা দামি গাড়ি হাঁকিয়ে আপনার সামনে দিয়েই চলে যাচ্ছে। কর্পোরেট যে সবসময় চেহারা দেখে প্রমোশন দেয়,তা নয়।দিনবদলাচ্ছে,কনসেপ্টগুলো বদলে যাচ্ছে।শুধু বেতন পাওয়ার জন্য কাজ করে গেলে শুধু বেতনই পাবেন।কথা হল,কেন এমন হয়?সবচাইতে ভালটি সবচাইতে ভালভাবে করে কীভাবে?কিছু ব্যাপার এক্ষেত্রে কাজ করে। দুএকটি বলছি।

-প্রথমেই আসে পরিশ্রমের ব্যাপারটা। যারা আপনার চাইতে এগিয়ে,তারা আপনার চাইতে বেশি পরিশ্রমী।এটা মেনে নিন। ঘুমানোর আনন্দ আর ভোর দেখার আনন্দ একসাথে পাওয়া যায় না। শুধু পরিশ্রম করলেই সব হয় না।তা-ই যদি হত,তবে গাধা হত বনের রাজা।শুধু পরিশ্রম করা নয়,এর পুরস্কার পাওয়াটাই বড় কথা।

অনলি ইওর রেজাল্টস্ আর রিওয়ার্ডেড,নট ইওর এফর্টস্।আপনি এক্সট্রা আওয়ার না খাটলে এক্সট্রা মাইল এগিয়ে থাকবেন কীভাবে?সবার দিনই তো ২৪ ঘণ্টায়।আমার বন্ধুকে দেখেছি,অন্যরা যখন ঘুমিয়ে থাকে তখন সে রাত জেগে আউটসোর্সিং করে।ও রাত জাগার সুবিধা তো পাবেই!আপনি বাড়তি কী করলেন,সেটাই ঠিক করে দেবে,আপনি বাড়তি কী পাবেন।আপনি ভিন্ন কিছু করতে না পারলে আপনি ভিন্ন কিছু পাবেন না।বিল গেটস রাতারাতি বিল গেটস হননি।শুধু ভার্সিটি ড্রপআউট হলেই স্টিভ জবস কিংবা জুকারবার্গ হওয়া যায় না।আমার মত অনার্সে ২.৭৪ সিজিপিএ পেলেই বিসিএস আর আইবিএ ভর্তি পরীক্ষায় ফার্স্ট হয়ে যাওয়া যাবে না। আউটলায়ার্স বইটি পড়েদেখুন।বড় মানুষের বড় প্রস্তুতি থাকে।নজরুলের প্রবন্ধগুলো পড়লে বুঝতে পারবেন,উনি কতটা স্বশিক্ষিত ছিলেন।শুধু রুটির দোকানে চাকরিতেই নজরুল হয় না।

কিংবা স্কুল কলেজে না গেলেই রবীন্দ্রনাথহয়ে যাওয়া যাবে না।সবাই তো বই বাঁধাইয়ের দোকানে চাকরি করে মাইকেল ফ্যারাডে হতে পারে না,বেশিরভাগই তো সারাজীবন বই বাঁধাই করেই কাটিয়ে দেয়।
–
স্টুডেন্টলাইফে কে কী বলল,সেটা নিয়ে মাথা ঘামাবেন না।আমাদের ব্যাচে যে ছেলেটা প্রোগ্রামিং করতেই পারত না,সে এখন একটা সফটওয়্যার ফার্মের মালিক।যাকে নিয়ে কেউ কোনদিন স্বপ্ন দেখেনি,সে এখন হাজার হাজার মানুষকে স্বপ্ন দেখতে শেখায়। ক্যারিয়ার নিয়ে যার তেমন কোন ভাবনা ছিল না,সে সবার আগে পিএইচডি করতে আমেরিকায় গেছে।সব পরীক্ষায় মহাউত্সাহে ফেল করা ছেলেটি এখন একজন সফল ব্যবসায়ী। আপনি কী পারেন,কী পারেন না,এটাঅন্য কাউকে ঠিক করে দিতে দেবেন না।পাবলিক ভার্সিটিতে চান্স পাননি? প্রাইভেটে পড়ছেন? কিংবা ন্যাশনাল ভার্সিটিতে? সবাই বলছে,আপনার লাইফটা শেষ?আমি বলি,আরে!আপনার লাইফ তো এখনো শুরুই হয়নি।আপনি কতদূর যাবেন,এটা ঠিক করে দেয়ার অন্যরা কে?লাইফটা কি ওদের নাকি?আপনাকে ডাক্তার- ইঞ্জিনিয়ার হতেই হবে কেন?কিংবা ডাক্তারি পাস করে কেন ডাক্তারিই করতে হবে?আমার পরিচিত এক ডাক্তার ফটোগ্রাফি করে মাসে আয় করে ৬-৭ লাখ টাকা।যেখানেই পড়াশোনা করেন না কেন,আপনার এগিয়ে যাওয়া নির্ভর করে আপনার নিজের উপর। শুধু
‘ওহ শিট’,’সরি বেবি’,’চ্যাটিং ডেটিং’ দিয়ে জীবন চলবে না।আপনি যার উপর ডিপেনডেন্ট,তাকে বাদ দিয়ে নিজের অবস্থানটা কল্পনা করে দেখুন।যে গাড়িটা করে ভার্সিটিতে আসেন,ঘোরাঘুরি করেন,সেটি কি আপনার নিজের টাকায় কেনা?ওটা নিয়ে ভাব দেখান কোন আক্কেলে?


একদিন আপনাকে পৃথিবীর পথে নামতে হবে।তখন আপনাকে যা যা করতে হবে,সেসব কাজ এখনই করা শুরু করুন। জীবনে বড় হতে হলে কিছু ভাল বই পড়তে হয়,কিছু ভাল মুভি দেখতে হয়,কিছু ভাল মিউজিক শুনতে হয়,কিছু ভাল জায়গায় ঘুরতে হয়,কিছু ভাল মানুষের সাথে কথা বলতে হয়,কিছু ভাল কাজ করতে
হয়। জীবনটা শুধু হাহাহিহি করে কাটিয়ে দেয়ার জন্য নয়।একদিন যখন জীবনের মুখোমুখি দাঁড়াতে হবে,তখন দেখবেন,পায়ের নিচ থেকে মাটি সরে যাচ্ছে,মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ছে।

স্কিল ডেভেলাপমেন্টের জন্য সময় দিতে হয়। এসব একদিনে কিংবা রাতারাতি হয় না।”আপনার মত করে লিখতে হলে আমাকে কী করতে হবে?আমি আপনার মত রেজাল্ট করতে চাই। আমাকে কী করতে হবে?”এটা আমি প্রায়ই শুনি।আমি বলি,”অসম্ভব পরিশ্রম করতে হবে।নো শর্টকাটস্। সরি!”রিপ্লাই আসে,”কিন্তু পড়তে যে ভাল লাগে না।
কী করা যায়?”এর উত্তরটা একটু ভিন্নভাবে দিই। আপনি যখন স্কুল কলেজে পড়তেন,তখন যে সময়ে আপনার ফার্স্ট বয় বন্ধুটি পড়ার টেবিলে মুখ থুবড়ে পড়ে থাকত,সে সময়ে আপনি গার্লস স্কুলের সামনে গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতেন। এখন সময় এসেছে,ও ওখানে গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকবে আর আপনি পড়ার টেবিলে বসে থাকবেন।

–জীবনটাকে যে সময়ে চাবুক মারতে হয়,সে সময়ে জীবনটাকে উপভোগ করলে,যে সময়ে জীবনটাকে উপভোগ করার কথা,সে সময়ে জীবনটাকে উপভোগ করতে পারবেন না,এটাই স্বাভাবিক।এটা মেনে নিন। মেনে নিতে না পারলে ঘুরে দাঁড়ান।এখনই সময়! বড় হতে হলে বড় মানুষের সাথে মিশতে হয়,চলতে হয়,ওদের কথা শুনতে হয়। এক্ষেত্রে ভার্সিটিতে পড়ার সময় বন্ধু নির্বাচনটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। আপনার সাবকনশাস মাইন্ড আপনাকে আপনার বন্ধুদের কাজ দ্বারা প্রভাবিত  করে। আমরা নিজেদের অজ্ঞাতসারেই আমাদের চাইতে ইনফেরিয়র লোকজনের সাথে ওঠাবসা করি,কারণ তখন আমরা নিজেদেরকে সুপিরিয়র ভাবতে পারি।এ ব্যাপারটা সুইসাইডাল। আশেপাশে কাউকেই বড় হতে না দেখলে বড় হওয়ার ইচ্ছে জাগে না।আরেকটা ভুল অনেকে করেন। সেটি হল,ধনীঘরের সন্তানদের সাথে মিশে নিজেকে ধনী ভাবতে শুরু করা।মানুষ তার বন্ধুদের দ্বারা প্রভাবিত হয়।উজাড় বনে তো শেয়ালই রাজা হয়। আপনি কী শেয়াল রাজা হতে চান,নাকি সিংহ রাজা হতে চান,সেটি আগে ঠিক করুন।

–বিনীত হতে জানাটা মস্ত বড় একটা আর্ট। যারা অনার্সে পড়ছেন,তাদের অনেকের মধ্যেই এটার অভাব রয়েছে। এখনো আপনার অহংকার করার মত কিছুই নেই,পৃথিবীর কাছে আপনি একজন নোবডি মাত্র।বিনয় ছাড়া শেখা যায় না।গুরুর কাছ থেকে শিখতে হয় গুরুর পায়ের কাছে বসে। আজকাল শিক্ষকরাও সম্মানিত হওয়ার চেষ্টা করেন না,স্টুডেন্টরাও সম্মান করতে ভুলে যাচ্ছে।আপনি মেনে নিন,আপনি ছোটো।এটাই আপনাকে এগিয়ে রাখবে।বড় মানুষকে অসম্মান করার মধ্যে কোন গৌরব নেই।নিজের প্রয়োজনেইমানুষকে সম্মান করুন।
 https://milonworlds.blogspot.com/

Saturday, July 4, 2015

আমেরিকানদের সম্পর্কে ২০টি দারুণ তথ্য

আমেরিকানদের বিষয়ে সবাই আগ্রহের কমতি নেই। বিশ্বের ধনী ও ক্ষমতাশালী দেশের মানুষদের সম্পর্কে কে না জানতে চায়। এখানে জেনে নিন তাদের সম্পর্কে কিছু বিস্ময়কর তথ্য। এসব তথ্য পিউ রিসার্চ সেন্টার, গ্যালআপ পোলস এবং অন্যান্য সূত্র থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।
১. ৫১ শতাংশ আমেরিকান উচ্চ-
মধ্যবিত্ত এবং মধ্যবিত্ত।
২. ৫১ শতাংশ আমেরিকান
আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলতে পারেন
না যে, বিগ ব্যাং এর মাধ্যমে এই
মহাবিশ্বের সৃষ্টি।
৩. ৫২ শতাংশ আমেরিকান মনে করেন,
তাদের একটি করে বন্দুক রাখা বড়
অধিকার।
৪. ৫৩ শতাংশ আমেরিকান গাঁজাকে
আইনগতভাবে বৈধ করে দেওয়া উচিত
বলে মনে করেন।
৫. ৫৪ আমেরিকান বিশ্বের মধ্যে
নিজেদের দারুণ ক্ষমতাশালী বলে
মনে করেন।
৬. ৫৫ শতাংশ আমেরিকান স্টক
মার্কেটে বিনিয়োগ করেন।
৭. বিশ্ব রাজনীতিতে ওবামা সঠিক
সিদ্ধান্ত নেন বলেই বিশ্বাস করেন ৫৮
শতাংশ আমেরিকান।
৮. অনলাইন ডেটিংকে দারুণ মাধ্যম
বলে মনে করেন ৫৯ শতাংশ
আমেরিকান।
৯. সমকামী বিয়ের পক্ষে রয়েছে ৬০
শতাংশ আমেরিকান।
১০. ৬১ শতাংশ আমেরিকান গাড়ি
চালাতে চালাতে মোবাইলে
মেসেজ লিখেন।
১১. জন এফ কেনেডি হত্যার ঘঠনায় বহু
মানুষ জড়িত বলে মনে করেন ৬১
শতাংশ মানুষ।
১২. ৬৩ শতাংশ আমেরিকান মনে করেন,
ধনীদের সম্পদের বড় একটি অংশ বহু
দরিদ্রের মাঝে বিলিয়ে দেওয়া
যায়।
১৩. ৬৪ শতাংশ আমেরিকানের
স্মার্টফোন রয়েছে।
১৪. ৬৪ শতাংশ বিশ্বাস করেন বৈশ্বিক
উষ্ণতা জীবনযাপনে সমস্যা সৃষ্টি করবে
না।
১৫. ৭০ শতাংশ আমেরিকান খ্রিস্টান।
তবে সম্প্রতি এ সংখ্যা বেশ কমে
এসেছে।
১৬. ৭৩ শতাংশ আমেরিকান জীবনে
কমপক্ষে একজন মানুষের সঙ্গে
থেকেছেন।
১৭. কিছু পরিস্থিতির বিচারে গর্ভপাত বৈধ বলে মনে করেন ৭৯ শতাংশ আমেরিকান।
১৮. ২৫ বছরের বেশি বয়সী ৮৬ শতাংশ
আমেরিকান হাইস্কুল পাস করেছেন।
১৯. ৯৩ শতাংশ আমেরিকানের কংগ্রেসের ওপর আস্থা নেই।
২০. ৬৯ শতাংশ আমেরিকান মনে করেন,
কেউ মরণঘাতী রোগে আক্রান্ত হলে
তার শান্তিময় মৃত্যু বেছে নেওয়ার
অধিকার থাকা উচিত। সূত্র : বিজনেস
ইনসাইডার