Showing posts with label হেলথ টিপস্. Show all posts
Showing posts with label হেলথ টিপস্. Show all posts

Friday, January 13, 2017

কাশির যন্ত্রণায় আপনার করণীয়


আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে শীতকালে নানা সমস্যা দেখা দেয়। এ সময় বেশিরভাগই ত্বক ও শ্বসনতন্ত্রের বিভিন্ন জটিলতায় ভুগে থাকেন। সর্দি ও ঠাণ্ডা কাশি কিছুদিনের মধ্যেই সেরে যায়, কিন্তু শুকনো খুশখুশে কাশি সহজে সারতে চায় না। একটু সচেতন হলে এই শুকনো কাশি থেকেও রেহাই পাওয়া সম্ভব।
জেনে নিন কাশি সারানোর কিছু উপায়:

আদা
কাশির জন্য সবচেয়ে প্রচলিত চিকিৎসাটা হলো আদা। এক্ষেত্রে আদার টুকরোর ওপর লবণ ছিটিয়ে ভাল করে চিবিয়ে রস খাওয়াটাই উত্তম। এছাড়া পরিমাণমতো পানিতে এক ইঞ্চি আদা কুচি করে সেটা সেদ্ধ করে পানির পরিমাণ অর্ধেক করে ফেলুন। তারপর পানিটা ছেঁকে তাতে এক চামচ মধু মিশিয়ে চায়ের মতো পান করুন। দিনে ৩-৪ বার এ পানীয় পান করলে কাশি সারবেই।

মধু
যুক্তরাষ্ট্রের পেন স্টেট স্কুল অব মেডিসিনের এক গবেষণায় দেখা গেছে, মধু খাওয়ার পর রাতের যন্ত্রণাদায়ক কাশি বন্ধ হয়ে গেছে, ঘুমও হয়েছে ভাল। তবে রোগ ভেদে মধুর প্রয়োগও ভিন্ন। ঘুমাতে যাওয়ার আগে গরম দুধের সঙ্গে এক চামচ মধু মিশিয়ে খেলে রাতভর কাশতে হবে না। এছাড়া কাশি দূর করতে আঙুরের রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খাওয়া যায়।


রসুন

৫ কোয়া রসুনকে থেঁতলে সামান্য ঘিয়ের মধ্যে হাল্কা ভেজে খেয়ে ফেলুন। যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ম্যারিল্যান্ড মেডিক্যাল সেন্টারে কিছু দিন আগেও সাধারণ সর্দি ও কাশি সারাতে রসুনের কার্যকারিতা প্রমাণিত হয়েছে।

লেবু
কাশি হলে আধখানা লেবুর ওপর গোল মরিচ আর লবণ ছিটিয়ে খেয়ে ফেলুন। কাশি সেরে যাবে।

গোল মরিচ চা
দেড় কাপ পানিতে এক চামচ কালো গোল মরিচের গুড়ো ও ২ চামচ মধু মিশিয়ে ১৫ মিনিট সেদ্ধ করুন। তারপর ছেঁকে পান করলেই সেরে যাবে কফযুক্ত কাশি। তবে শুকনো কাশির জন্য এ দাওয়াই কাজ করবে না।

হলুদ
প্রাচীনকাল থেকেই রোগ সারাতে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল হিসেবে হলুদ ব্যবহার করে আসছেন কবিরাজরা। এক গ্লাস গরম দুধে আধ চামচ হলুদ মিশিয়ে কোনোমতে খেয়ে ফেলতে পারলে কাশি সেরে যাবে। গিলতে সমস্যা হলে গার্গল করতে পারেন। সেক্ষেত্রে গরম পানিতে আধ চামচ হলুদ গুড়ো ও আধ চামচ লবণ মিশিয়ে গার্গল করতে পারেন। শুকনো কাশি হলে আধ চামচ হলুদের সাথে এক চামচ মধু মিশিয়ে দিনে ২-৩ বার খেলে উপশম হবে।


এছাড়াও কাশি থেকে রেহাই পেতে করতে পারেন নিম্নোক্ত কাজগুলো-
* সবসময় একটি পানির বোতল রাখুন। গলা শুকিয়ে আসলেই পানি পান করুন। গলা শুকনো থাকলেই কাশির উদ্রেক করে। পানি পান করলে কাশি আসবে না।
* নাক ও মুখ দিয়ে গরম পানির ভাপ নিন। এতে গলায় ও বুকে বসে যাওয়া শুকনো মিউকাস তরল হবে এবং কাশি দ্রুত ভালো হতে সাহায্য করবে।
* পুদিনা পাতার রস গরম পানিতে মিশিয়ে সামান্য মধু মিশিয়ে পান করুন ২ বেলা। দ্রুত শুকনো কাশির উপশম হবে।
* গরম গ্রিন টি পান করুন। এতে মিউকাস গলা ও বুক থেকে দূর হবে।
* মাথাটা একটু উঁচু করে শুলেও কিন্তু কাশি কমে যায়।

Saturday, November 14, 2015

কাশির যন্ত্রণায় করণীয়


আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে শীতকালে নানা সমস্যা দেখা দেয়। এ সময় বেশিরভাগই ত্বক ও শ্বসনতন্ত্রের বিভিন্ন জটিলতায় ভুগে থাকেন। সর্দি ও ঠাণ্ডা কাশি কিছুদিনের মধ্যেই সেরে যায়, কিন্তু শুকনো খুশখুশে কাশি সহজে সারতে চায় না। একটু সচেতন হলে এই শুকনো কাশি থেকেও রেহাই পাওয়া সম্ভব।
জেনে নিন কাশি সারানোর কিছু উপায়:
আদা
কাশির জন্য সবচেয়ে প্রচলিত চিকিৎসাটা হলো আদা। এক্ষেত্রে আদার টুকরোর ওপর লবণ ছিটিয়ে ভাল করে চিবিয়ে রস খাওয়াটাই উত্তম। এছাড়া পরিমাণমতো পানিতে এক ইঞ্চি আদা কুচি করে সেটা সেদ্ধ করে পানির পরিমাণ অর্ধেক করে ফেলুন। তারপর পানিটা ছেঁকে তাতে এক চামচ মধু মিশিয়ে চায়ের মতো পান করুন। দিনে ৩-৪ বার এ পানীয় পান করলে কাশি সারবেই।
মধু
যুক্তরাষ্ট্রের পেন স্টেট স্কুল অব মেডিসিনের এক গবেষণায় দেখা গেছে, মধু খাওয়ার পর রাতের যন্ত্রণাদায়ক কাশি বন্ধ হয়ে গেছে, ঘুমও হয়েছে ভাল। তবে রোগ ভেদে মধুর প্রয়োগও ভিন্ন। ঘুমাতে যাওয়ার আগে গরম দুধের সঙ্গে এক চামচ মধু মিশিয়ে খেলে রাতভর কাশতে হবে না। এছাড়া কাশি দূর করতে আঙুরের রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খাওয়া যায়।
রসুন
৫ কোয়া রসুনকে থেঁতলে সামান্য ঘিয়ের মধ্যে হাল্কা ভেজে খেয়ে ফেলুন। যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ম্যারিল্যান্ড মেডিক্যাল সেন্টারে কিছু দিন আগেও সাধারণ সর্দি ও কাশি সারাতে রসুনের কার্যকারিতা প্রমাণিত হয়েছে।
লেবু
কাশি হলে আধখানা লেবুর ওপর গোল মরিচ আর লবণ ছিটিয়ে খেয়ে ফেলুন। কাশি সেরে যাবে।
গোল মরিচ চা
দেড় কাপ পানিতে এক চামচ কালো গোল মরিচের গুড়ো ও ২ চামচ মধু মিশিয়ে ১৫ মিনিট সেদ্ধ করুন। তারপর ছেঁকে পান করলেই সেরে যাবে কফযুক্ত কাশি। তবে শুকনো কাশির জন্য এ দাওয়াই কাজ করবে না।
হলুদ
প্রাচীনকাল থেকেই রোগ সারাতে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল হিসেবে হলুদ ব্যবহার করে আসছেন কবিরাজরা। এক গ্লাস গরম দুধে আধ চামচ হলুদ মিশিয়ে কোনোমতে খেয়ে ফেলতে পারলে কাশি সেরে যাবে। গিলতে সমস্যা হলে গার্গল করতে পারেন। সেক্ষেত্রে গরম পানিতে আধ চামচ হলুদ গুড়ো ও আধ চামচ লবণ মিশিয়ে গার্গল করতে পারেন। শুকনো কাশি হলে আধ চামচ হলুদের সাথে এক চামচ মধু মিশিয়ে দিনে ২-৩ বার খেলে উপশম হবে।
এছাড়াও কাশি থেকে রেহাই পেতে করতে পারেন নিম্নোক্ত কাজগুলো-
* সবসময় একটি পানির বোতল রাখুন। গলা শুকিয়ে আসলেই পানি পান করুন। গলা শুকনো থাকলেই কাশির উদ্রেক করে। পানি পান করলে কাশি আসবে না।
* নাক ও মুখ দিয়ে গরম পানির ভাপ নিন। এতে গলায় ও বুকে বসে যাওয়া শুকনো মিউকাস তরল হবে এবং কাশি দ্রুত ভালো হতে সাহায্য করবে।
* পুদিনা পাতার রস গরম পানিতে মিশিয়ে সামান্য মধু মিশিয়ে পান করুন ২ বেলা। দ্রুত শুকনো কাশির উপশম হবে।
* গরম গ্রিন টি পান করুন। এতে মিউকাস গলা ও বুক থেকে দূর হবে।
* মাথাটা একটু উঁচু করে শুলেও কিন্তু কাশি কমে যায়।
এএসএ/

Monday, August 3, 2015

যে ৭টি কাজে জীবনটাকে পূর্ণ মনে হবে আপনার


আপনি পেশাজীবনে কতটা সফল বা কি পরিমাণ অর্থ উপার্জন করেন, তা কোনো বিষয় নয়। জীবনে পূর্ণতা এসেছে- এমন অনুভূতি পেতে পারেন আরো কিছু কাজের মাধ্যমে। স্রেফ ধনী হওয়া অথবা খ্যাতি কামানোর পরও জীবনের পূর্ণতা নাও অনুভূত হতে পারে। এখানে জেনে এমন ৭টি বিষয়ের কথা। এগুলো আপনার জীবনটাকে পূর্ণ করে দেবে।

১. সত্যিকার ভালোবাসা খুঁজে পাওয়া : স্রেফ প্রেমিক বা প্রেমিকার কথাই বলা হচ্ছে না। কারণ এদের ছাড়া যে জীবনে পূর্ণতা আসবে না তা নয়। সত্যিকার বন্ধু, শুভাকাঙ্ক্ষী, স্বজনকে পাশে পাওয়ার মাধ্যমেও জীবনের পূর্ণতা অনুভূত হতে পারে। খাঁটি ভালোবাসা খুঁজে পাওয়া জীবনের পূর্ণতা লাভের একটি অনুষঙ্গ।

২. স্বপ্ন পূরণ হওয়া : যেকোনো স্বপ্ন এ তালিকায় থাকতে পারে। মঞ্চে উঠে গান গাওয়া যেমন স্বপ্ন হতে পারে, তেমনি ধনী হয়ে ওঠাও স্বপ্ন হতে পারে। ছোট হোক বা বড়, যেকোনো স্বপ্ন পূরণের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ জীবনের দেখা মিলতে পারে।

৩. অন্যের প্রয়োজনে সাহায্য করা : একজন আশ্রয়হীনকে আশ্রয় দিলেন। অথবা ক্ষুধার্তের ক্ষুধা নিবারণ করার মাধ্যমে পূর্ণ জীবনের তৃপ্তি পেতে পারেন। কাউকে পরীক্ষায় ভালো ফল করতে পরামর্শ দিলেন বা ভুল পথে পা বাড়ানো মানুষটিকে সঠিক পথ দেখালেন। এ সকল কাজে এমন এক তৃপ্তি পাবেন যা জীবনকে অনন্য করে দেবে।

৪. পৃথিবী সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করা : এই বিশ্ব বা মহাবিশ্ব সম্পর্কে যাবতীয় জ্ঞান লাভ করা সম্ভব নয়। কিন্তু এমন বিষয় রয়েছে যা জানার ফলে বড় অন্ধকার থেকে বেরিয়ে আসতে পারেন। অথবা আগ্রহের যেকোনো একটি বিষয় সম্পর্কে যতটুকু সম্ভব জানতে থাকুন। প্রিয় বিষয় নিয়ে জ্ঞান লাভের কারণে জীবনটাকে পূর্ণ মনে হবে।

৫. স্বাধীনতা লাভ করা : এখানে কেবল পরাধীন মানুষের কথাই বলা হচ্ছে না। স্বাধীন দেশের নাগরিক হয়েও আপনার ব্যক্তিগত স্বাধীনতা নানাভাবে অন্যের দখলে থাকতে পারে। জীবনটাকে যেভাবে এগিয়ে নিতে চান, যে পথে স্বাধীনভাবে এগোতে না হতে পারলে পরাধীনতায় থেকে যাবেন। এই অধীনতা থেকে মুক্তি পাওয়ার চেষ্টা করুন। সফল হলেই জীবনটাকে পূর্ণ মনে হবে।

৬. একান্ত সময় পাওয়া : অতিব্যস্ত মানুষ কিছু একান্ত সময় খুঁজে পাওয়ার মাধ্যমে জীবনের পূর্ণতা পেতে পারেন। যারা কাজে সদাব্যস্ত থাকেন, তাদের কাছে জীবনের সবচেয়ে আকাঙ্ক্ষীত বিষয় নিজের জন্যে কিছু সময় আলাদা করে পাওয়া। তাই নিয়মিত কিছু সময় একান্তে কাটানোর ব্যবস্থা  করুন। জীবনটা এবার পূর্ণ হয়েছে বলে মনে হবে।

৭. খুঁটিনাটি তৃপ্তি : কিছু কাজ আছে যাকে দোষপূর্ণ তৃপ্তি বলা যায়। যেমন- বেশ কিছু সময় অলস পড়ে থেকে টেলিভিশনের প্রিয় অনুষ্ঠান দেখলেন। স্বাস্থ্যকর না হলেও প্রিয় খাবারটি তৃপ্তি নিয়ে খেলেন। এ কাজগুলো তৃপ্তিতে পূর্ণতা এনে দিতে পারে। এসব কাজ থেকে সব সময় বিরত থাকতে নেই।

সূত্র : ইন্টারনেট