Showing posts with label অনলাইন ডেস্ক. Show all posts
Showing posts with label অনলাইন ডেস্ক. Show all posts

Sunday, July 8, 2018

প্রাইমারি সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা ২০১৪-এর ফলাফল- এই মাত্র প্রকাশ

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রাজস্ব খাতভুক্ত সহকারী শিক্ষক নিয়োগ এর লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশিত  হয়েছে।



এতে উত্তীর্ণ হয়েছেন ২৯ হাজার ৫৫৫ জন প্রার্থী। গত ২০ এপ্রিল থেকে শুরু হয়ে ৪ ধাপে এ পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। এতে অংশ নেয় মোট ৬ লাখ ১৬ হাজার ৬৪ জন পরীক্ষার্থী।

পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের রোল নম্বরের তালিকা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে প্রেরণ করা হয়েছে। শিক্ষা অফিসের নোটিশ বোর্ডে এটি প্রদর্শন করা হবে। এছাড়া প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে (www.dpe.gov.bd) লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের রোল নম্বর পাওয়া যাবে।
এদিকে, উত্তীর্ণ প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদনের আপলোডকৃত ছবি, আবেদনের কপি, লিখিত পরীক্ষার প্রবেশপত্র, নাগরিকত্ব সনদসহ বিভিন্ন কোটায় অংশগ্রহণকারীদের সনদ ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের অনুলিপি কমপক্ষে ৯ম গ্রেডের গেজেটেড কর্মকর্তা কর্তৃক সত্যায়িত করে আগামী ১৮ জুলাই তারিখের মধ্যে নিজ নিজ জেলায় জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে জমা দিয়ে প্রাপ্তি স্বীকারপত্র সংগ্রহ করতে হবে বলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

এ সকল সনদ ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি জমা দেওয়ার সময় মূলকপি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের নিকট প্রদর্শন করতে হবে।

মৌখিক পরীক্ষা বোর্ডে প্রদর্শনের জন্য সকল মূল সনদ, প্রাপ্তি স্বীকারপত্র ও অন্যান্য কাগজপত্রের মূল কপি প্রার্থীকে সঙ্গে আনতে হবে।

মৌখিক পরীক্ষার স্থান, তারিখ ও সময় যথা সময়ে প্রার্থীকে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে জানানো হবে এবং প্রার্থীদের অনুকূলে মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য কার্ড ইস্যু করা হবে।

Downloads Full Results PDF


Sunday, April 29, 2018

জীবনের মোড় বদলানো, সিদ্ধান্তহীনতার গল্প নোবডি হয়ে থাকার গল্প।

এখানে যারা আছেন, যারা এখনো ক্যারিয়ার শুরুই করেননি, তারা কি সত্যিই পিছিয়ে আছেন? ‘পিছিয়ে থাকা’ কাকে বলে? আমার শুরু যেভাবে।  জীবনের মোড় বদলানো। সিদ্ধান্তহীনতার গল্প। Never it’s too late to realize it’s already getting late.



আমার কোনো Aim in Life ছিলো না, শুধু এক্সামের খাতায় ছাড়া। কেউ একজন আমাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, life এবং career নিয়ে আপনার আগামী ১০ বছরের plan কী? আমি উত্তর দিয়েছিলাম, আমি আমার জীবনে ১০ মিনিটের planও কখনো করতে পারিনি। Still I’m happy. No regrets! এক জীবনে মানুষ কতোটুকুই বা পায়? আমি প্রতি মুহূর্তের দুনিয়ায় বেঁচে থাকা মানুষ। এতো ক্যারিয়ারিস্ট হয়ে বেঁচে কী লাভ?


ক্যারিয়ার কী? ভালো ক্যারিয়ারে কী কী থাকে? আমি মনে করি, ৩টা জিনিস থাকে।
খুব ভালো কিছু করতে যে খুব বেশি সময় নিয়ে করতে হয়, তা কিন্তু নয়। আমার ধারণা, সুন্দর কিছু ক'রতে পরিশ্রম কিংবা বুদ্ধিমত্তার চাইতেও আবেগটাই বেশি দরকার। কম সময়ে অনেক কিছু ক'রতে জানাটা মস্তো বড়ো একটা আর্ট। …… কেউ কথা রাখেনি। You fill up my senses. দস্তয়ভস্কির গল্প।

ফিরে দেখা। নোবডি হয়ে থাকার গল্প। সবচেয়ে বাজে রেজাল্ট করা ছেলেটার গল্প; যার একটা সময়ে অনার্স কমপ্লিট করারই কথা ছিলো না, যাকে নিয়ে কেউ কখনো স্বপ্ন দেখেনি। কারোর কাছ থেকে পাত্তা না পাওয়াটা ভয়াবহ কষ্টের একটা ব্যাপার। অপমানের দিনগুলো, কান্নার রাতগুলো। ‘কিছু করা’ বলতে কী বোঝায়? বিষের পেয়ালার হার ও অতঃপর। স্রেফ বেঁচে থাকলেও অনেককিছু হয়৷ সাঁতারু ও জলকন্যা পড়েছেন?

Your passion pays!! Books, movies, music & of course Facebook!! No matter, whatever it is!! Basically, you’re what you love!!
অন্য কারোর জীবনে না বাঁচা, জীবনের সাথে কম্প্রোমাইজ না করা একজন সুখী অসফল অ্যাক্সিডেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারের গল্প, একজন হতাশাগ্রস্ত উদ্যোক্তার গল্প। Happy to be derailed! Thank you God, you didn’t listen to my prayers!
একটা কথা খুব সত্য৷ এ্যাকাডেমিক্যালি কেউ ভালো স্টুডেন্ট হওয়া মানেই কিন্তু তার ক্যারিয়ার ভালো হবে, এমন নাও হ’তে পারে৷ শেষ হাসিটা হাসার চেষ্টা করুন৷ মাঝের কিছুটা সময় না হয় কাটুক কান্নায়, অবহেলায়, তাচ্ছিল্যে৷
ক্যারিয়ার শুরু করার আগে নিজেকে জিজ্ঞেস ক’রে নিন, কী আপনার ভালো লাগে৷ অন্যেরা এর উত্তর দিতে পারবে না৷ ওরা বড়োজোর জানে, কী আপনার ভালো লাগা উচিত৷ অন্য দশ জনের মতো ক’রে ভাববার মস্তো বড়ো অসুবিধে হ’চ্ছে এই, আপনি আসলে যতোটুকু করার ক্ষমতা রাখেন, সেটা একটা বাঁধাধরা ছকে প’ড়ে যায় এবং আপনার অ্যাচিভমেন্ট এমন কিছু হয় না, যেটাকে আলাদা ক’রে বলা যায় কিংবা দেখা যায়৷ আপনার জীবনটাকে আপনি গড়পড়তায় ফেলবেন কিনা, It’s your choice.
কোনো কাজ করার সবচেয়ে কঠিন ধাপ ২টিঃআপনি আসলে কী করতে চান, কীভাবে করতে চান, কেনো করতে চান সেটা ঠিক করা।কাজটা সত্যি সত্যি শুরু করা। কোনো কাজ শুরু করার সবচেয়ে সহজ টেকনিক হল, কাজটা সত্যিই শুরু করে দেয়া।

সাফল্যের জন্যে আত্মবিশ্বাস জরুরী, নাকি আত্মবিশ্বাসের জন্যে সাফল্য জরুরী? 
বিসিএস পরীক্ষার ডিফিকাল্টি লেভেল আমার কাছে কিছুটা overrated বলেই মনে হয়েছে৷ এগুলো কম্পিটিটিভ এক্জাম, এটা যতটা সত্য, রিয়েল কম্পিটিশনে আসার মতো ক্যান্ডিডেট খুব বেশি সাধারণতঃ থাকেনা, এটা আরো বেশি সত্য৷ বেশিরভাগ মানুষই এই ২টা এক্সাম নিয়ে ভয় দেখাতেই বেশি পছন্দ করেন। যা জানেন, তা বলেন; যা জানেন না, তাও বলেন। ২টা ফ্যাক্ট শেয়ার করি।

এই এক্সামগুলোতে ৫০% ক্যান্ডিডেট যায় জাস্ট ঘুরতে কোনো কারণ ছাড়াই, অনেকটা গেট-টুগেদার করতে। (মজার ব্যাপার হলো, এদের কেউকেউ সফলও হয়ে যায়! veni, vidi, vici টাইপের আরকি!)
রিয়েল কম্পিটিটিশনে আসার মতো ক্যান্ডিডেট থাকে মাত্র ৭% এর মতো।..

মাই এক্সপেরিয়েন্স উইথ বিসিএস প্রিলি + রিটেন
১০ম থেকে ৩৪তম বিসিএস, পিএসসি’র নন-ক্যাডার প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রশ্নগুলো (সম্ভব হলে অন্ততঃ ২৫০-৩০০ সেট) বুঝে solve করে ফেলুন। রিভিশন দেবেন অন্তত ২-৩ বার। Read the mind of the question setter, not the mind of the guidebook writer. ৪ ঘণ্টা না বুঝে study করার চাইতে ১ ঘণ্টা questions study করা ভালো। তাহলে ৪ ঘণ্টার পড়া ২ ঘণ্টায় পড়া সম্ভব। Apply the POE. বেশি বেশি প্রশ্নের প্যাটার্ন study করলে, কীভাবে অপ্রয়োজনীয় টপিক বাদ দিয়ে পড়া যায়, সেটা শিখতে পারবেন। এটা প্রস্তুতি শুরু করার প্রাথমিক ধাপ। এর জন্যে যথেষ্ট সময় দিন। অন্যরা যা যা পড়ছে, আমাকেও তা-ই তা-ই পড়তে হবে। এই ধারণা ঝেড়ে ফেলুন। 

Invent your own style.
বেশিরভাগ স্টুডেন্টই প্রথমে রেফারেন্স বই পড়ে, পরে প্রশ্ন সলভ করা শুরু করে। এখানে ২টা সমস্যা আছে।এক। বেশি বেশি প্রশ্ন সলভ করার সময় পাওয়া যায় না। যত বেশি প্রশ্ন সলভ করবেন, ততই লাভ।দুই। রেফারেন্স বইগুলোর বেশিরভাগ অংশই বিসিএস পরীক্ষার জন্যে কাজে লাগে না, অথচ পুরো বই পড়তে গিয়ে সময় নষ্ট হয় এবং বিসিএস নিয়ে অহেতুক ভীতি তৈরি হয়। তাছাড়া অতকিছু মনে রাখার দরকারও নেই।তাই, উল্টো পথে হাঁটুন। আমিও তা-ই করেছিলাম।

আজাইরা ফালতু জিনিসপত্র পড়া বাদ দিন৷ বিসিএস ক্যাডার হওয়ার জন্যে আপনি কী কী পড়বেন, সেটা ঠিক করার চাইতে অনেক বেশি জরুরী আপনি কী কী পড়বেন না, সেটা বুঝতে পারা৷ রেফারেন্স বই পড়ুন আর না-ই পড়ুন, বেশি বেশি প্রশ্ন সলভ্ করা ফরজ৷ যে জানে, সে সফল নাও হ'তে পারে; কিন্তু যে সফল, সে নিশ্চয়ই জানে৷ (না জানলেও জানে) অসফল পণ্ডিত অপেক্ষা সফল গর্দভ উত্তম৷ যাঁরা বিসিএস নিয়ে থাকেন, তাঁরা দুই টাইপের হ’য়ে ওঠেন৷ এক। বিসিএস বিশেষজ্ঞ৷ দুই। বিসিএস ক্যাডার৷ ...... ক্যাডার হোন৷

একটা বুদ্ধি দিই৷ বিসিএস পরীক্ষার জন্য যেকোনো বিষয়ের রেফারেন্স পড়ার একটা ভালো টেকনিক হচ্ছে, জ্ঞান অর্জনের জন্য না প'ড়ে, মার্কস্ অর্জনের জন্য পড়া৷ এটা করার জন্য আগে বিগত বছরগুলোর প্রশ্নগুলো প'ড়ে প'ড়ে কোন টাইপের প্রশ্ন আসে না, সেই আইডিয়াটা নিন৷ আরো ভালো হয়, প্রিলি আর রিটেন'এর প্রশ্নগুলো ভালোভাবে দেখে, এরপর রেফারেন্স বই 'বাদ দিয়ে বাদ দিয়ে' পড়ুন৷ যেমন, বাংলা সাহিত্যের জন্য যদি কেউ মাহবুবুল আলমের বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস (কথার কথা) প'ড়তে চান, আগেই প্রিলিতে সাহিত্যের প্রশ্ন + রিটেনে সাহিত্যের সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন কী কী টাইপের আসে মাথায় ম্যাপিং ক'রে ফেলুন৷ এরপর পড়ুন৷ কম্পিটিটিভ পরীক্ষায় ভালো করার বেস্ট ওয়ে, আগে রেফারেন্স বই প'ড়ে তারপর প্রশ্ন সলভ্ করা নয়; বরং প্রশ্ন সলভ্ ক'রতে ক'রতে রেফারেন্স বই পড়া৷ সবকিছু পড়ার সহজাত লোভ সামলান। একটি অপ্রয়োজনীয় topic একবার পড়ার চেয়ে প্রয়োজনীয় topic গুলো বার বার পড়ুন৷
প্রিলির জন্য কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স, কারেন্ট ওয়ার্ল্ড, আজকের বিশ্ব, অর্থনৈতিক সমীক্ষা টাইপের বইপত্র পড়া বাদ দিন৷ একেবারেই সাম্প্রতিক বিষয় থেকে প্রিলিতে প্রশ্ন আসে বড়জোর ২-৩টা, যেগুলো শুধু ওই বইগুলোতেই পাওয়া যায়৷ এরমধ্যে অন্তত ১টা পেপারটেপার প'ড়ে আনসার করা যায়৷ বাকি ২টাকে মাফ ক'রে দিলে কী হয়?! এই ২-১ মার্কসের এ্যাতো পেইন কোন দুঃখে পাব্লিক নেয়, আমার মাথায় আসে না৷ আসলে, ওই যন্ত্রণাদায়ক বইগুলো প'ড়লে নিজের কাছে কেমন জানি প'ড়ছি প'ড়ছি মনে হয়৷ এটা অতি উচ্চমার্গীয় ফাঁকিবাজির পর্যায়ে পড়ে৷ একটা ফ্যাক্ট শেয়ার করি৷ কিছু কঠিন প্রশ্ন থাকে যেগুলো বার বার পড়লেও মনে থাকে না৷ সেগুলো মনে রাখার চেষ্টা বাদ দিন৷ কারণ এই ধরণের একটি প্রশ্ন আরো কয়েকটি সহজ প্রশ্নকে মাথা থেকে বের করে দেয়৷ প্রিলিমিনারি হাইয়েস্ট মার্কস্ পাওয়ার পরীক্ষা নয়, স্রেফ পাস করার পরীক্ষা৷


বিসিএস পরীক্ষায় ভালো করা মূলতঃ চারটি বিষয়ের উপর অনেকংশে নির্ভর করে---ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান ও বাংলা৷ এই চারটি বিষয় বেশি জোর দিয়ে পড়ুন৷ শুধু সাধারণ জ্ঞানে সুপণ্ডিত তোতাপাখিসদৃশ ব্যক্তিবর্গ বিসিএস পরীক্ষায় সাধারণত ফেল করে অথবা অতি সাধারণ মানের রেজাল্ট করে৷ সাধারণ জ্ঞানে বেশি পণ্ডিত হয়ে লাভ নাই, কারণ ওই segment-টাতে সাধারণত average marks আসে, তাই অন্যান্য ক্যান্ডিডেটের তুলনায় আপনি খুব বেশি marks পেয়ে কোনো competitive advantage পাবেন না। প্রিপারেশন নিচ্ছি নিচ্ছি---নিজেকে এবং অন্য সবাইকে এটা বোঝানোর চাইতে সত্যি সত্যি প্রিপারেশন নেয়া ভালো। প্রিপারেশন প্রিপারেশন ভাব, প্রিপারেশনের অভাব। কম্পিটিটিভ এক্সামে এটা হয়। মাথায় রাখুন, Only your results are rewarded, not your efforts. অনেক পরিশ্রম করে ফেল করার চাইতে, বুঝেশুনে পরিশ্রম করে পাস করা ভালো।

বিসিএস পরীক্ষা বার বার দেয়া যায়, এটা সত্যি। কিন্তু তার চেয়ে বড় সত্যি, এটা একবারে পাস না করার পানিশমেন্ট হল, এই বিরক্তিকর ক্লান্তিকর পড়াগুলো আরেকবার পড়তে হবে। আমার বেলায় এই ভয়টা মোটিভেশন হিসেবে কাজ করেছে। এসএসসি এইচএসসি পরীক্ষাও তো ৪ বার দেয়া যায়। ওইসময়ে কেউ যদি আপনাকে বলতো, ১ম বার এক্সপেরিএন্স হোক, পরেরবার ভালো করে দিয়ো। এটা শুনলে কি রাগ হতো না?
যে প্রশ্নগুলো একটু কঠিন মনে হয়, সেগুলো একাধিকবার পড়ুন৷ একটা ফ্যাক্ট শেয়ার করি৷ কিছু কঠিন প্রশ্ন থাকে যেগুলো বার বার পড়লেও মনে থাকে না৷ সেগুলো মনে রাখার চেষ্টা বাদ দিন৷ কারণ এই ধরণের একটি প্রশ্ন আরো কয়েকটি সহজ প্রশ্নকে মাথা থেকে বের করে দেয়৷

বিসিএস পরীক্ষায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, বাংলাদেশ বিষয়াবলি, আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি---এই বিষয়গুলোতে প্রয়োজনীয় চিহ্নিত চিত্র ও ম্যাপ আঁকুন৷ যথাস্থানে বিভিন্ন ডাটা, টেবিল, চার্ট, রেফারেন্স দিন৷
কোন কোন সেগমেন্ট-এ ক্যান্ডিডেট’রা সাধারণতঃ কম মার্কস্ পায় কিন্তু বেশি মার্কস্ তোলা সম্ভব, সেগুলো নির্ধারণ করুন এবং নিজেকে ওই সেগমেন্ট’গুলোতে ভালোভাবে প্রস্তুত করে কম্পিটিশনে আসার চেষ্টা করুন৷ সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন, টীকা, শর্ট নোটস্, সারাংশ, সারমর্ম, ভাবসম্প্রসারণ, অনুবাদ, ব্যাকরণ ইত্যাদি ভালোভাবে পড়ুন৷
দাগিয়ে দাগিয়ে রিটেনের গাইড বই পড়ুন৷ সম্ভব হলে, কমপক্ষে ৩-৪ সেট৷ তবে খেয়াল রাখবেন গাইডে অনেক ভুল থাকে৷ এটা স্বাভাবিক৷ তাই পড়ার সময় সংশোধন করে নিতে হবে৷
নোট করে পড়ার বিশেষ কোনো প্রয়োজন নেই৷ এতটা সময় পাবেন না৷ বরং কোন প্রশ্নটা কোন সোর্স থেকে পড়ছেন, সেটা লিখে রাখুন৷ রিভিশন দেয়ার সময় কাজে লাগবে৷ বাংলাদেশের সংবিধানের ব্যাখ্যা, বিভিন্ন সংস্থার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, কিছু আন্তর্জাতিক পত্রিকা ইত্যাদি সম্পর্কে নিয়মিত খোঁজ-খবর রাখুন৷ তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহে রাখুন৷ প্রয়োজনমত পরীক্ষার খাতায় রেফারেন্স উল্লেখ করে উপস্থাপন করুন৷

বিসিএস’এর জন্য নিয়মিত পেপার পড়ুন৷ সম্ভব হলে অন্তত ৫-৬ টা৷ অনলাইনে পড়তে পারেন৷ এই সময়টাতে পুরো পেপার না পড়ে শুধু যে অংশগুলো পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয়, সেগুলোই পড়ুন৷ খুব দ্রুত চোখ বুলিয়ে যা যা বিসিএস পরীক্ষার জন্যে দরকার, প্রয়োজনে সেগুলো ওয়ার্ড ফাইলে সেভ করে রাখুন। কী কী দরকার, সেটা কীভাবে বুঝবেন?
বিভিন্ন রেফারেন্স, টেক্সট ও প্রামাণ্য বই অবশ্যই পড়তে হবে৷ বিসিএস পরীক্ষায় অনেক প্রশ্নই কমন পড়েনা৷ এসব বই পড়া থাকলে উত্তর করাটা সহজ হয়৷ প্রশ্নের উত্তর দেয়ার সময় বিভিন্ন লেখকের রচনা, পত্রিকার কলাম ও সম্পাদকীয়, বিভিন্ন সংস্থার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, সংবিধানের সংশ্লিষ্ট ধারা, বিভিন্ন রেফারেন্স থেকে উদ্ধৃতি দিলে মার্কস বাড়বে৷ এই অংশগুলো লিখতে নীল কালি ব্যবহার ক’রলে সহজে পরীক্ষকের চোখে পড়বে৷ জানি, অত কোটেশন তো মনে থাকে না। তাহলে কীভাবে কাজটা করবেন? আমি যে টেকনিকগুলো ফলো করেছিলাম, সেগুলো বলছি। ভালো কথা, সংবিধান মুখস্থ করার কোনো দরকারই নাই।

লেখা সুন্দর হলে ভালো, না হলেও সমস্যা নেই৷ পরীক্ষায় অনেক বেশি দ্রুত লিখতে হয়৷ তাই প্রতি ৩-৫ মিনিটে ১ পৃষ্ঠা লেখার প্র্যাকটিস্ করুন৷ খেয়াল রাখবেন, যাতে লেখা পড়া যায়৷ সুন্দর উপস্থাপনা মার্কস বাড়ায়৷ বিসিএস লিখিত পরীক্ষায় লিখতে খুব বেশি কষ্ট হয়। আমার মাঝে মাঝে মনে হতো, আঙুলের জয়েন্টগুলো মনে হয় এখুনি খুলে পড়ে যাবে। ভাবতাম, I’ve to really perform when I’m performing! আমি তো স্রেফ আমার বাবা-মা আর টেন্ডুলকারের কথা ভেবে ভেবেই রিটেন পার করে দিলাম। একটা গল্প শেয়ার করি। ১৬ বছরের বালকের ‘Main Khelega’ অ্যাটিচিউডের গল্প৷ হারিয়ে না যাওয়ার গল্প৷ আমার লাইফে শেখা সেরা অ্যাটিচিউড৷ আমার মতে, জীবনে বড় হতে হলে habitual ‘selfish’ weakness to greatness থাকাটা জরুরি। যারা নিজ নিজ ক্ষেত্রে সফল তাদের গুণগুলোকে replicate করার চেষ্টা করুন। যে লক্ষ্যেই পৌঁছাতে চান না কেনো, সেই লক্ষ্যের প্রতি প্রচণ্ড শ্রদ্ধাবোধ রাখুন। নাহলে প্রিপারেশনে ঠিকমতো আন্তরিকতা আসে না।


কোনভাবেই কোনো প্রশ্ন ছেড়ে আসবেন না৷ উত্তর জানা না থাকলে ধারণা থেকে অন্তত কিছু না কিছু লিখে আসুন৷ আপনি প্রশ্ন ছেড়ে আসছেন, এটা কোন সমস্যা না৷ সমস্যা হল, কেউ না কেউ সেটা উত্তর ক’রছে৷ নিজের সাজেশনস্ নিজেই তৈরী করুন৷ কারো সাজেশনস্ ফলো করবেন না৷ এই প্রশ্নটা আসবেই আসবে --- এ জাতীয় কোচিং সেন্টারসুলভ মিথ্যে আশ্বাসে কান দেবেন না৷ আমি অন্তত ৪ বার সাজেশনস রেডি করেছিলাম। আর এটা মাথায় রাখুন, (৪০-৫০)% এর বেশি প্রশ্ন কমন পাবেন না। এইটুকু পেলেও অনেক!
মাঝে মাঝে বিভিন্ন topic নিয়ে ননস্টপ লেখার প্র্যাক্টিস করুন৷ বিভিন্ন বিষয়ে পড়ার অভ্যাস বাড়ান৷ এতে আপনার লেখা মানসম্মত হবে৷ কোনো উত্তরই মুখস্থ করার দরকার নেই৷ বরং বারবার পড়ুন, বিভিন্ন সোর্স থেকে৷ ধারণা থেকে লেখার অভ্যাস গ’ড়ে তুলুন৷

বিসিএস পরীক্ষায় কোন ভাষায় উত্তর লিখবো? ইংরেজিতে? নাকি, বাংলায়? এ প্রশ্ন অনেকেরই৷ আমি বাংলায় লিখেছি, combined merit list-এ প্রথম হ’য়েছি৷ এ ভাষায় ‘আসি’ বলে স্বচ্ছন্দে চলে যাওয়া যায় … কী আশ্চর্য রহস্য! তাই না? তবে, আপনি ইংরেজিতেও লিখতে পারেন৷ এক্ষেত্রে সাবলীলতা ও প্রাঞ্জলতাই মুখ্য৷
অনেকেই বলবে, আমার তো অমুক অমুক প্রশ্ন পড়া শেষ! ব্যাপারটাকে সহজভাবে নিন৷ আপনার আগে কেউ কাজ শেষ করলেই যে শেষ হাসিটা উনিই হাসবেন---এমন তো কোন কথা নেই৷ আমি বিসিএস পরীক্ষার জন্যে প্রস্তুতি শুরু করতে গিয়ে দেখলাম, অনেকের অনেক কিছু পড়া শেষ। 3 Idiots তো দেখেছেন। বন্ধুর খারাপ রেজাল্টে যতোটা মন খারাপ হয়, বন্ধুর ভালো রেজাল্টে তার চেয়ে বেশি মেজাজ খারাপ হয়। যখন দেখলাম, আমি অন্যদের তুলনায় বলতে গেলে কিছুই পারি না, তখন আমি ২টা কাজ করলাম। এক। বোঝার চেষ্টা করলাম, ওরা যা পারে, সেটা পারাটা আদৌ দরকার কিনা? দুই। ওদের সাথে নিজেকে কম্পেয়ার করা বন্ধ করে গতকালকের আমি’র সাথে আজকের আমি’কে কম্পেয়ার করা শুরু করলাম।

মাঝে মাঝে পড়তে ইচ্ছে করবে না, আমারও করত না৷ সারাক্ষণ পড়তে ইচ্ছে করাটা মানসিক সুস্থতার লক্ষণ না৷ Why so serious? Job for Life, not Life for Job. তাই, ব্রেক নিন, পড়াকে ছুটি দিন৷ মাঝেমধ্যেই৷ দু’দিন পড়া হ’লো না বলে মন খারাপ করে আরো দু’দিন নষ্ট করার তো কোন মানে হয়না৷ অনুশোচনা করার সময় কোথায়?গ্রুপ স্টাডি করা কতোটুকু দরকার? এটা আপনার অভ্যেসের উপর নির্ভর করে। আমার নিজের এই অভ্যেস ছিলো না। আমি গ্রুপ স্টাডি করতাম না ২টা কারণে। এক। যখন দেখতাম, সবাই অনেককিছু পারে, যেগুলোর কিছুই আমি পারি না, তখন মন খারাপ হতো। আমি পারি না, এটা ভাবতে ভালো লাগে না। The Pursuit of Happyness এর ডায়লগটা মনে আছে তো? দুই। সবার সাথে পড়লে বেশি বেশি গল্প করতে ইচ্ছে করতো, আর মনে হতো, ওরা যেটা করছে সেটা ঠিক, আমার নিজেরটা ভুল। অন্ধ অনুকরণ করতে ভালো লাগে না।

লিখেছেন_
বিসিএস পরীক্ষা'র সাতসতেরো
সুশান্ত পাল, প্রথম স্থান অধিকারী, 30 তম বিসিএস 
বর্তমানে কাস্টমসের সহকারী কমিশনার

ক্যারিয়ার পরিকল্পনা ও দক্ষতা উন্নয়নের কৌশল এবং সাফল্য অর্জনে কী গুণাবলী থাকা উচিত

জীবন বাঁচানোর জন্য জীবিকা হিসাবে মানুষ কোন না কোন কাজ করে থাকে। এই কাজ করার মাধ্যমেই মানুষ কোন একটি বিষয়ে নিজেকে দক্ষ করে জীবিকার পথ হিসেবে তা বেছে নেয়।


জীবিকার পথ হিসেবে মানুষ যে পন্থাকে বেছে নেয় তাই মূলত তার ক্যারিয়ার যেমন একজন ডাক্তার তার জীবিকা হিসেবে ডাক্তারি করে থাকেন। এখানে ডাক্তারি করাটাকে তিনি ক্যারিয়ার হিসেবে নিয়েছেন। আর এজন্য তিনি কোন হাসপাতালে কাজ করেন। সুতরাং আরেকটি বিষয় এখানে চলে আসে যে, কাজ করা আর ক্যারিয়ার এ দুটি বিষয় পরষ্পর সম্পর্ক যুক্ত হলেও একই বিষয় নয়। মূলত মানুষ তার ক্যারিয়ার ঠিক করতে বা লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের কাজ করে থাকে। 

আরও একটি উদাহরণ দিয়ে বলা যায়- একজন ছাত্র কোন একটি সাধারন বিষয়ে গ্রাজুয়েশন বা স্নাতক করার পর হয়ত কোন প্রতিষ্ঠানে মার্কেটিং বিভাগে চাকরি নিলেন। কিন্ত এ সময়ে তার ক্যারিয়ার কে মার্কেটিং বলাটা ঠিক হবে না। কারণ এক বছর পর তিনি হয়তো অন্য একটি কোম্পানীতে সেলস বা বিক্রয় বিভাগে অথবা হিসাবরক্ষণ বিভাগে চাকরি নিলেন। এভাবে কয়েক বছর কাজ করার পর তিনি সিদ্ধান্ত নিতে পারেন যে তিনি কোন বিভাগে নিজেকে দক্ষ করবেন এবং পরবর্তীকালে সে বিষয়েই নিজের ক্যারিয়ার তৈরী করবেন বা সে বিষয়েই উচ্চপদ গ্রহণ করবেন। এ সময়ে তিনি তার ক্যারিয়ারের একটি প্রথম এবং প্রধান ধাপ অতিক্রম করবেন। সুতরাং আমরা বলতে পারি যে, ক্যারিয়ারের জন্য আমাদেরকে বিভিন্ন পর্যায়ে কাজ করতে হয়। এ অবস্থায় পরবর্তীকালে আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে, কোন পন্থা বা বিষয়কে ক্যারিয়ার হিসেবে বেছে নেয়া যেতে পারে। 


এ সিদ্ধান্ত নেয়ার অন্যতম উপায় হচ্ছে ক্যারিয়ার পরিকল্পনা। একজন ব্যক্তি যত শুরু থেকে তার ক্যারিয়ার পরিকল্পনা করতে পারবেন তিনি তত তাড়াতাড়ি সেই লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবেন। ক্যারিয়ার পরিকল্পনার জন্য যে বিষয়টি দরকার তা হলো, সাফল্য সম্পর্কে ধারণা থাকা। 




সাফল্য অর্জনে কী গুণাবলী থাকা উচিত: 

o সাধারণ জ্ঞান 

o নিজ বিষয়ে পরিপূর্ণ জ্ঞান 

o আত্মপ্রত্যয় 

o বুদ্ধিমত্তা 

o কাজ করার দক্ষতা 

o নেতৃত্ব 

o ভুল থেকে শিক্ষা নেয়ার দক্ষতা 

o সৃজনশীলতা 

o আত্মবিশ্বাস 

o যথাযথ বাচনভঙ্গি 

o অন্যের ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট থাকা 

o ভাগ্য 

o উপরোক্ত গুণাবলী যারা অর্জন করেছেন তারাই সাফল্য লাভ করে থাকেন। 



এই গুণগুল জন্মসূত্রে না থাকলেও কাজের মাধ্যমে অর্জন সম্ভব। 

নিজেকে জানুন, দেখুন তো আপনার মধ্যে এই গুণসমূহ আছে কিনা: 

o সহমর্মিতা 

o হাস্যরস 

o সৌজন্যবোধ 

o বিশ্বাস অর্জন- এর দক্ষতা 



ক্যারিয়ার পরিকল্পনা- এর জন্য অবশ্যই আপনাকে লক্ষ্য ঠিক করতে হবে। এজন্য যা করবেন: 

o আপনার লক্ষ্যগুলি ঠিক করবেন 

o লক্ষ্যগুলি কাগজে লিখবেন 

o লক্ষ্যগুলি সুনির্দিষ্ট হতে হবে 

o লক্ষ্যগুলি গুরুত্ব অনুযায়ী শ্রেণীবদ্ধ করতে হবে 

o প্রতিদিন লক্ষ্যগুলি স্মরণ করতে হবে 



লক্ষ্য ঠিক করার জন্য S M A R T টেকনিক ব্যবহার করা যেতে পারে। এখানে তার ব্যাখ্যা দেয়া হল: 

S = Specific বা সুনির্দিষ্ট 

M = Measurable বা পরিমাপযোগ্য 

A = Achievable বা অর্জনযোগ্য 

R = Realistic বা বাস্তবধর্মী 

T = Timeframe বা সময়কাঠামো 



সাফল্যের জন্য আরও যা জানতে হবে: 

SEE Factors 

S = Smile বা হাস্যময় 

E = Eye Contact বা মনযোগ 

E = Enthusiasm বা উদ্যোগ 



আরও ৮ টি নির্দেশনা হল:     

¤   ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি 

¤   ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রাখা 

¤   সময়ানুবর্তী হওয়া 

¤   প্রস্তত থাকা 

¤   নিজের লক্ষ্য সম্পর্কে সচেতন থাকা 

¤   নিয়ন্ত্রণে রাখা 

¤   সঠিকভাবে কাজ করা 

¤   পরিপূর্ণভাবে কাজ সম্পন্ন করা 


ক্যারিয়ার পরিকল্পনা এবং সাফল্যের জন্য আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল সময় ব্যবস্থাপনা। আপনাকে অবশ্যই সময় ব্যবস্থাপনা জানতে হবে। এর জন্য যা করতে হবে: 

¤   আপনার প্রতিদিনের কাজগুলো লিপিবদ্ধ করুন 

¤   প্রতিটি কাজে এখন আপনি গড়ে কত সময় ব্যয় করছেন তা নিরূপণ/ ঠিক করুন 

¤   প্রতিটি কাজে গড়ে কতটুকু সময় প্রয়োজন তা বের করুন 

¤   প্রতিটি কাজে গড়ে আপনি কতটুকু সময় অতিরিক্ত ব্যয় করেন তা বের করুন 

¤   এখন সিদ্ধান্ত নিন কীভাবে আপনি আপনার সময় ব্যয় করবেন? 


সময় ব্যবস্থাপনা আপনার জীবনের মোড় ঘুড়িয়ে দিতে পারে, যদি আপনি সঠিকভাবে তা প্রয়োগ করতে পারেন। প্রতি রাতে ঘুমানোর আগে আগামীকাল আপনার করণীয় কাজগুলি একটি কাগজে লিপিবদ্ধ করুন এবং তারপাশে কোন সময়ে তা করবেন তা লিখুন। আপনার হাতের অতিরিক্ত সময় অন্য কোন প্রয়োজনীয় কাজে ব্যয় করুন।     



ক্যারিয়ার পরিকল্পনার জন্য আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে কাজের চাপের ব্যবস্থাপনা। আমাদের দেশে এ বিষয়টিকে খুব কম গুরুত্ব দেয়া হয়। আপনি যদি চাপ কমাতে না পারেন, তবে তা আপনার ক্যারিয়ারের জন্য বাধা হয়ে দাঁড়াবে। আমরা অনেক নেতিবাচক পরিবেশের মধ্যে বড় হচ্ছি, এর ফলে কাজের চাপ ব্যবস্থাপনা আমাদের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। চাপ কমানো ও ব্যবস্থাপনার জন্য আমাদের যা করতে হবে:   


¤   নিজের উপর বিশ্বাস রাখা 

¤   নেতিবাচক লোকদের এড়িয়ে চলা 

¤   সবকিছু সহজে গ্রহণ করা 

¤   মাথা ঠান্ডা রাখা 

¤   সব সময় ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রাখা 

¤   নেতিবাচক বিষয়কে ইতিবাচকভাবে দেখা 



মেডিটেশন অনেক সময় আমাদের চাপ কমাতে পারে, তাই মেডিটেশন করা যেতে পারে। বাংলাদেশে এখন এর ব্যাপক চর্চা হচ্ছে।     


উপরোক্ত বিষয়গুলির প্রতি মনোযোগী হলে আপনি সহজেই আপনার ক্যারিয়ার পরিকল্পনা করতে পারবেন। কারণ ক্যারিয়ার পরিকল্পনা এর জন্য আপনাকেই সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আপনি অন্য কারো কাছ থেকে উপদেশ নিলেও নিজের সিদ্ধান্ত নিজেই নেবেন। কখনো অন্য কারো সিদ্ধান্ত যেন-আপনার ওপর চাপিয়ে না দেয়া হয়। 



একটি ভাল ক্যারিয়ার গড়ে তোলার জন্য অবশ্যই দক্ষতার উন্নয়ন প্রয়োজন। কিন্ত দক্ষতা বিষয়টি অনেক ব্যাপক এবং একটি দক্ষতা, একটি দক্ষতার উপর নির্ভরশীল। আপনি শুধু একটি বা দুইটি বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করলে সাফল্য লাভ করবেন, এটা মনে করা ঠিক না। সাফল্য লাভ করার জন্য যত বেশী দক্ষতা অর্জন করা যায় ততই একটি সুন্দর ও সফল ক্যারিয়ার এর দিকে আপনি এগিয়ে যেতে পারবেন। 



স্বভাবতই প্রশ্ন জাগে, কোন কোন দক্ষতা অবশ্যই উন্নয়ন করা প্রয়োজন। যে দক্ষতাগুলি অবশ্যই উন্নয়ন করতে হবে তা হল:     

¤   আইটি 

¤   কমিউনিকেশন 

¤   ব্যবস্থাপনা 



কমিউনিকেশন দক্ষতা: আপনি কিভাবে অন্য একজন ব্যক্তির কাছে সুন্দরভাবে আপনাকে উপস্থাপনা করতে পারছেন, তাই হল আপনার কমিউনিকেশন দক্ষতা। অর্থাৎ আপনার কথা-বার্তা, আচার-ব্যবহার এর মাধ্যমে আপনি আপনাকে কতটা আকর্ষণীয় করে তুলবেন অন্যদের কাছে। 



¤   কমিউনিকেশন দক্ষতায় দক্ষ হতে হলে আপনাকে নিন্মোক্ত বিষয় গুলি চর্চা করতে হবে। যেমন- আপনার সাধারন জ্ঞান ও বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করবেন সব সময়। 

¤   আপনার আত্মবিশ্বাস বাড়াতে হবে এবং বাচনভঙ্গির উন্নতি সাধন করার চেষ্টা করবেন। বাচনভঙ্গির উন্নয়নের জন্য উপস্থিত বক্তৃতা বা বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহন করা উচিত নিয়মিতভাবে। এমনকি বন্ধু-বান্ধব মিলে এই কাজটি করতে পারেন নিজেদের দক্ষতা উন্নয়নের জন্য। 

¤   পোষাক- পরিচ্ছদের ব্যপারে যত্নবান হউন এবং যা আপনাকে মানায় এবং অন্যরা পছন্দ করে তা পরিধান করুন 

¤   আপনার বিভিন্ন মুদ্রাদোষ পরিহার করুন এবং হাতের নখ, চুলের খুশকি এবং অন্যান্য রোগ-জীবানু সম্পর্কে সতর্ক থাকুন। 

¤   আয়নার সামনে অথবা বন্ধুদের সাথে কথা বলা চর্চা করুন এবং আঞ্চলিকতা যতটা পারুন পরিহার করুন। 



ব্যবস্থাপনা দক্ষতা: 

আপনার ক্যারিয়ার কে সুন্দর করতে ব্যবস্থাপনা দক্ষতায় আপনার দক্ষতা থাকা প্রয়োজন। ব্যবস্থাপনা দক্ষতায় আপনি দক্ষতা দেখাতে পারলে আপনি সহজে অন্যদের চোখে পড়বেন এবং আপনি ধীরে ধীরে ক্যারিয়ারের শীর্ষে পৌঁছাতে পারবেন। ব্যবস্থাপনা দক্ষতা বাড়ানোর জন্য আপনাকে যা করতে হবে, তা হল:     


¤   আপনাকে নেতৃত্বের গুনাবলী চর্চা করতে হবে। নেতা ভাবলেই নেতা হওয়া যায় না। তবে নিজের উপর বিশ্বাস রাখতে হবে এবং নেতৃত্ব দেবার মানসিকতা থাকতে হবে। 

¤   যে কোন কাজ হাতে নিলে তা সুন্দর ভাবে শেষ করার মানসিকতা থাকতে হবে। মাঝ পথে কোন কাজ যদি কঠিন মনে করে ছেড়ে দেন, তাহলে বুঝবেন আপনার মধ্যে ব্যবস্থাপনা দক্ষতার অভাব রয়েছে। কোন কাজ কঠিন মনে হলে চিন্তা করে বের করবেন কিভাবে তা অন্য উপায়ে সম্পন্ন করা যায়। কারা আপনাকে এই বিষয়ে সাহায্য করতে পারে ইত্যাদি। 

¤   ব্যবস্থাপনা দক্ষতার অন্যতম একটি প্রধান বিষয় হল সময় ব্যবস্থাপনা। এর পাশাপাশি মানুষের বিশ্বাস অর্জন করাও একটি ব্যবস্থাপনা দক্ষতা। আপনার সৌজন্যবোধ আপনাকে বিশ্বাস অর্জনে সহায়তা করবে। 

¤   ভুল থেকে সঠিকটা শিক্ষা নেবার দক্ষতা থাকতে হবে। তার সাথে সাথে হাস্যরস বোধ আপনাকে একজন দক্ষ ব্যবস্থাপক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সহায়তা করবে। 




আইটি দক্ষতা:     

বর্তমান সময় আপনি যদি কম্পিউটার না জানেন, তাহলে আপনাকে শিক্ষিত বলা যাবে না। শুনতে খারাপ লাগলেও এটাই সত্যি। আবার তার মানে আপনি কম্পিউটারে উচ্চশিক্ষিত হবেন তা নয়। আইটি দক্ষতা বলতে বোঝায় কম্পিউটার ব্যবহার করে চিঠি বা কোন ডকুমেন্ট লিখতে, সুন্দরভাবে প্রিন্ট করা জানতে হবে। জানতে হবে কীভাবে কম্পিউটার ব্যবহার করে আপনি ডাটা ম্যানেজমেন্ট করতে পারেন। কম্পিউটার ব্যবহার করে কীভাবে একটি প্রেজেন্টেশন করতে পারেন। এছাড়া ইন্টারনেট ব্যবহারও ভালভাবে জানতে হবে। এর পাশাপাশি যদি কম্পিউটার এর হার্ডওয়্যার ও মেইনট্যানেন্স   জানা থাকে তবে আপনি আইটি দক্ষতার প্রধান ধাপগুলো পূর্ণ করবেন। 


সর্বশেষ বলা যায়, ক্যারিয়ার পরিকল্পনার জন্য আপনি ওপরে উল্লেখিত দক্ষতাগুলির যতগুলি আয়ত্ব করতে পারবেন, আপনার সম্ভাবনা ততই উজ্জল হবে।     


ক্যারিয়ার প্লানিং এর এই ভুলগুলো পরিহার করুন:     



¤   আপনি যা ভাল পারেন তার সাথে আপনার পছন্দের পার্থক্য সৃষ্টি করা: 

অনেকেই বলে আপনার গলা ভাল তাই বলে আপনি এই সিদ্ধান্ত নিলেন যে আপনি সারা জীবন আচার অনুষ্ঠানে গান গেয়ে   কাটিয়ে    দিবেন। এ সিদ্ধান্ত আপনার জন্য ভুল হতে পারে, যদি না আপনি এটা বিচার করেন যে পেশা হিসাবে গান গাওয়াটা উপভোগ করতে পারবেন কিনা। আপনি কোন ব্যপারে ভাল তার আগে গুরুত্বপূর্ণ হলো আপনি কি করতে পছন্দ করেন। আপনি যা করতে পছন্দ করেন তাতে আপনি যথেষ্ট দক্ষ না হলেও পরিশ্রম ও সাধনার বলে আপনি তা অর্জন করতে পারেন। 


¤   শখের সাথে পেশার পার্থক্য না করা 

আপনি হয়ত দৌড়ানো, আইন, বইপড়া, এবং ঝুড়ি বানানো পছন্দ করেন। আপনি হয়ত ভাবছেন-এসবগুলো ক্ষেক্রকে একটি পেশায় আনা যায় কিনা। উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নাই। আপনার এরকম কিছু করতে হবে না। কোন একটি সাধারন পেশা আপনার সবগুলা শখ মেটাবে এরকম ভেবে বসাটা একটা বড় রকমের ভুল। মনে রাখবেন এর অর্থ এই নয় যে আপনি আপনার পেশাকে পছন্দ করছেন না। আপনি আসলে পেশার উপর আপনার শখকে গুরুত্ব দিচ্ছেন 


¤   পেশার একটি দিকের সাথে অবস্থার সামগ্রিক পাথর্ক্য না করা 

অনেক সময় কেউ কেউ কোন পেশা স্থির করার সময় এমন ভেবে বসেন যে তারা তেমন কিছু না করেই তা হয়ে যেতে পারবেন। যেমন-কেউ লিখতে পছন্দ করেন। লেখালেখির পেশার সুযোগগুলো না দেখেই ভেবে নিন যে একজন লেখক হয়ে যাবেন এটা ভুল। এমনও হতে পারে কেবল উপন্যাসিক, সাংবাদিক ও কপিরাইটারের মত লেখক হতে চাইছেন যখন এর স্থলে তিনি একজন মন্ত্রী, জনসংযোগ- সহকারী,সম্পাদক অথবা সরকারী লবিকারী হওয়ার চিন্তা করতে পারতেন।

Thursday, November 2, 2017

দৈনিক $১০ ডলার আয় করুন, সামান্য কিছু কাজ করেই।

আমরা সবায় জানি যে ছোট ফ্রীলান্সিং সাইট এর মধ্যে micro works জনপ্রিয় । কিন্তু আপনারা জানেন যে বর্তমানে micro works এ কাজ খুব কম পাওয়া যায়। আজ আমি এই সাইট এর মত একটি সাইট নিয়ে আলোচনা করবো।

 


সাইট এর নাম http://www.minijobz.com/ একটি micro freelancing সাইট microworks এর মত
চলুন দেখি মাইক্রো ওয়ার্কস থেকে এই সাইট এর সুবিধাগুলা ।

  • অধিক পরিমাণ কাজ পাওয়া যায়।
  • কাজের রেট অনেক ভাল।
  • মাত্র ৫ ডলার হলেই পেমেন্ট পাবেন payza or payp।।
  • micro works এ ৯ ডলার করতে লাগে ১ মাস। মিনিজবস এ ১০ করতে পারবেন ৭ দিনে।

তাহলে মিনিজবস এখুনি রেজিস্টেশন http://www.minijobz.com  করুন।


প্রথমে রেজিস্ট্রেশন করার জন্য লিংকে ক্লিক করে তথ্যবলি পূরন করুণ।



যে কাজ কিভাবে করবেন:

লগিন করার পর নিচের মত একটি পেজ আসবে jobs এ ক্লিক করলে কাজের একটা চার্ট পাবেন। মিনিজবস এ সাইন আপ, ডাউনলোড, you tube ভিডিও টিউমেন্ট করা, ফোরাম টিউন করা ইত্যাদি কাজ পাবেন ।


 দরুন আপনি একটা সাইন আপ এর একটি কাজ করবেন । যে কোন একটি সাইন আপ এর কাজ সিলেক্ট করুন। আর হ্যাঁ কাজের আগে যদি usa লিখা থাকে সেটা আপনি করতে পারবেননা

সাইন আপ এর কাজে ক্লিক করলে নিচের মত একটা পেজ আসবে-
১ উপরে দেখুন একটা লিঙ্ক দেয়া আছে। লিঙ্ক টি কপি করে রাইট বাটনে ক্লিক করে নিউ ট্যাব খুলুন , এবার ওই সাইট এ আপনার ইমেইল, নাম , দিয়ে সাইন আপ করুন। এবার ইমেইল এ গিয়ে ভেরিফিকেসন করুন ব্যাস কাজ শেষ
২ এবার চলে আসুন http://www.minijobz.com এ এই যে কাজ করলেন তার প্রুফ দিতে হবে । prof requirements ?

১ আপনি যে নাম ও ইমেইল দিয়ে একটু আগে সাইন আপ করছিলেন তা এখানে দিন
২ আপনার মেইল এ যে লিঙ্ক গিয়েছিল তা এখানে দিন
৩ আপনি সাইন আপ করার সময় যে স্পন্সর ছিল তার নাম দিন
ব্যাস কাজ শেষ এবার ১/২ দিন ওয়েট করুন আপনার কাজ যদি সঠিক হয় টাকা পেয়ে যাবেন। আশা করি সবায় বুঝেছেন।

Monday, February 6, 2017

আপনার স্মার্টফোনের প্যাটার্ন লক সুরক্ষিত তো ?

 আপনি যদি ভেবে থাকেন আপনার স্মার্টফোনের প্যাটার্ন লক সবচেয়ে ভালো সিকুরিটি অপশন, তবে ভুল ভাবছেন । এটা আপনার স্মার্টফোনকে সিকিউরিটি দেয় না । এক গবেশণায় বিশেষজ্ঞরা দেখেছেন, যে কোনো প্যাটার্ন লক মাত্র ৫বারের চেষ্টায় খুলে ফেলা সম্ভব । 


https://milonworlds.blogspot.com/2017/02/gmail-account.html

প্যাটার্ন লক এমন এক ধরণের পদ্ধতি যা মোবাইল ফোন বা ট্যাবকে সিকিউর করে । এই পদ্ধতিতে মোবাইল ফোনকে খোলার জন্য ৫টি সুযোগ পান ইউজাররা । যদি ৫বারই ভুল করা হয়, তো ডিভাইসটি লক হয়ে যায় । প্রায় ৪০শতাংশ অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে এই প্যাটার্ন লক চলে ।


ব্রিটেনের ল্যানসেস্টারট ইউনিভার্সিটি, চীনের নর্থওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি এবং জার্মানির ইউনিভার্সিটি অফ বাথের গবেষকরা জানিয়েছেন, ভিডিও এবং কম্পিউটার ভিশন অ্যালগোরিদম সফটওয়্যার ইউজের মাধ্যমে যে কোনো মানুষ ৫ বারের চেষ্টাতেই প্যাটার্ন লক খুলে ফেলতে পারেন । কেউ তার স্মার্টফোনের প্যাটার্ন লক খোলার সময় যেভাবে হাত ঘোরান তা ভিডিও করার মাধ্যমে অনেক কিছুই বোঝা সম্ভব ।
আবার অনেক হ্যাকাররা কারো প্যাটার্ন খোলার সময় ফিঙ্গারপ্রিন্টের নড়াচড়া দেখে সফটওয়্যারের মাধ্যমেই লকের প্যাটার্ন বুঝে নিতে পারেন । নর্থওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির গুজিন ইয়ে বলেন, জটিল প্যাটার্ন খুলে ফেলা অনেক সহজ । কারণ এই প্যাটার্নের আঁকিবুঁকি অন্যগুলোর থেকে ভিন্ন । তাই সহজেই চিহ্নিত করা সম্ভব । জটিল প্যাটার্নগুলো বিশেজ্ঞরা প্রথমবারের চেষ্টাতেই খুলে ফেলেছেন । এ ছাড়া সব ধরণের প্যাটার্নের ৯০.৫ শতাংশই তারা খুলেছেন ৫ বারের প্রচেষ্টার মধ্যেই । 

মার্চ থেকে কাজ করবে না জনপ্রিয় স্কাইপ

আপনি কি এখনও উইন্ডোজ ৭ বা এর আগের ভার্সন ব্যবহার করেন? তাহলে এখনি এবার সতর্ক হয়ে যান। কারণ, স্কাইপ ব্যবহারকারীদের আরও সুবিধা দিতে ১ মার্চ ২০১৭ থেকে স্কাইপের পুরনো সংস্করণ বন্ধ করে দিচ্ছে জনপ্রিয় মাইক্রোসফট। যদি স্কাইপ সেবা অব্যাহত রাখতে চান তাহলে এখনি নতুন সংস্করণ  আপডেট করুন।


স্কাইপ ব্যবহারকারীদের নিত্য নতুন ফিচারের সেবা দিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে জনপ্রিয় মাইক্রোসফট কর্তৃপক্ষ।
এবার নতুন সংস্করণে থাকছে বেশ কিছু নতুন ফিচার। তারমধ্য উল্লেখযোগ্য ক্লড ফাইল শেয়ারিং, Video মেসেজ শেয়ারিং ও মোবাইল গ্রুপ কলিং সেবা।

স্কাইপ ব্যবহারকারীদের কথা মাথায় রেখে উইন্ডোজ ও ম্যাক সংশ্লিষ্টরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আর স্কাইপের পুরনো সংস্করণ ব্যবহারকারীরা যাতে কোনো রকম বাধা ছাড়াই সেবা পান তা নিশ্চিত করতেই নতুন সংস্করণকে স্বাগত জানিয়েছে জনপ্রিয় মাইক্রোসফট।

তবে পুরনো তথ্য, ছবি,ডাটা-আপনার স্কাইপ অ্যাকাউন্ট থেকে ডিলিট হয়ে যাবে ভেবে উদ্বিগ্ন হবেন না। এখনই অপারেটিং সিস্টেমে বিল্ট-ইন স্কাইপ প্রিভিউ বলে একটি সর্বজনীন অ্যাপ আসছে। ওটি ডাউনলোড করলে পেয়ে যাবেন আপনার স্কাইপের পুরনো তথ্য।

তাই ১ তারিখের পরেও যদি পুরনো সংস্করণে আপনার স্কাইপ অ্যাকাউন্ট থাকে তাহলে যে কোনো মুহূর্তে সেটি বন্ধ হয়ে যেতে পারে। আর এজন্য আপনি আপনার অপারেটিং সিস্টেম নির্মাতা মাইক্রোসফটকে অভিযুক্ত করতে পারবেন না। কারণ,স্কাইপ তাদের ব্যবহারকারীদের স্বার্থেই আধুনিক পরিকাঠামোয় নিজেকে বদল করছে মাইক্রোসফট।